সেনবাগে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:০৫
’৬৯ এর ১৯ ফেব্রুয়ারি গণআন্দোলনে নোয়াখালীর সেনবাগে কালো পতাকা উত্তোলন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত চার শহীদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতির দাবি জানানো হয়েছে। এ দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পুলিশের নিহত চার শহীদ হলেন; উপজেলার অর্জুনতলা গ্রামের শহীদ অফিজের রহমান, বাবুপুর গ্রামের শহীদ আবুল কালাম আজাদ, জিরুয়া গ্রামের শহীদ সামছুল হক ও মোহাম্মদপুর গ্রামের শহীদ খুরশিদ আলম। মানববন্ধন কর্মসূচিতে তত্কালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা ও সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম দলিলুর রহমান, সেনবাগ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমানউল্লা, সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সোলেমান, প্রজন্ম-’৭১এর প্রতিনিধি সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম কবির, ’৬৯-র থানা পোড়ানো মামলার অন্যতম আসামি মরহুম মৌলভী দ্বীন ইসলামের পুত্র গোলাম মোর্তুজা, সেনবাগ প্রেসক্লাব সভাপতি ও কাউন্সিলর খোরশেদ আলম, সেনবাগ লেখক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাজিমউদ্দিন খন্দকার, চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোক্তার হোসেন ইকবাল, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাবু, সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেন বাবু, প্রগতি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাস্টার আবুল বাসার ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি এবং পেশার লোকজন মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।