মির্জাপুরে পুলিশের সামনে কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে আহত

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:০৬
পরীক্ষার হলে খাতা না দেখানো এবং কথা কাটাকাটির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ নামধারী একদল সন্ত্রাসী নিরীহ এক কলেজ ছাত্রকে দুই পুলিশের সামনে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিরীহ ঐ ছাত্র বাঁচাও বাঁচাও বলে পুলিশের পায়ে ধরেও পায়নি কোন সাহায্য। দায়িত্বে অবহেলা এবং নিরীহ ছাত্রকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টুর নির্দেশে দুই পুলিশ সালাম ও নেহাজকে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। কিন্তু ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীদের নামে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করে বিপাকে পড়েছে বাদীপক্ষ। গত ১০ দিনেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে কোন আসামিকে গ্রেফতার না করায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে গত ৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে দ্বাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান শাখার ছাত্রদের ইংরেজি প্রথম পত্র মডেল পরীক্ষা ছিল। অসহায় ছাত্ররা অভিযোগ করে, পরীক্ষার হলে ছাত্রলীগ নামধারী রকি,মিলন,রাব্বি,অনিক,পল্লাত ও এনামুলসহ ১০/১২ জন ছাত্র একই ক্লাসের ছাত্র ওয়াসিম আকরাম, অজিত ও আসলামের পরীক্ষার খাতা দেখতে চায়। কিন্তু খাতা না দেখানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে ছাত্রলীগ নামধারী ঐ ছাত্ররা ওয়াসিম ও অজিতের উপর কলেজের ক্যাম্পাসের ভিতরেই হামলা চালায়। আসলাম মির্জাপুর ক্রীড়া সংস্থার সামনে দৌড়ে এসে পুলিশের দুই কনস্টেবল সালাম ও নেহাজের পায়ে ধরে সহযোগিতা চায় প্রাণ বাঁচানোর জন্য। কিন্তু পুলিশ ঐ ছাত্রকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়। এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে ওসি তদন্ত মোঃ নুরুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে দায়িত্বে অবহেলায় দুই পুলিশকে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।