পার্বতীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশের রেলওয়ে’র ইঞ্জিন মেরামতে একমাত্র কেন্দ্রীয় লোকোমেটিভ কারখানার (কেলোকা) মূল ভবনের ভিতরে সুরক্ষিত ল্যাবরেটরি রুম থেকে বিপুল পরিমাণ সাপোর্ট ব্রাস বিয়ারিং বোরিং চিপস, পিতল ও তামার তার রহস্যজনকভাবে চুরি হয়। দীর্ঘ ১০ মাসেও সরকারের মালামাল চুরির রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে।
গত বছর ২৭ মার্চ পার্বতীপুরের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় মূল ভবনের ৪০টি গেটের শতাধিক তালা সুরক্ষিত ছাড়াও কোনো গ্রিল না কেটেই এবং সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা বাহিনী পাহারারত অবস্থায় প্রায় কোটি টাকার মূল্যবান মালামাল চুরির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সে সময়ে দফায় দফায় পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, দিনাজপুর সিআইডি ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ এক মাস পর গত ৩ মে’১২ বৃহস্পতিবার রাতে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) হাবিলদার রেহান উদ্দিনের ও মেসিনারিজ সেকশনের নওরেশ আলীকে গ্রেফতার করে দিনাজপুর জেল হাজতে প্রেরণ করে। কয়েক দিন জেলহাজত থেকে জামিনে ছাড়া পান। সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারখানা থেকে প্রায় কোটি টাকার মালামাল চুরির ১০ মাস অতিবাহিত হলেও পুলিশ মালামাল উদ্ধারসহ দোষি ব্যক্তিদের আটক করতে ব্যর্থ হয়। এ নিয়ে কেলোকার প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান মনসুর গত ১০ নভেম্বর ১২ প্রনি/কেলোকা/তদন্ত/০৭ স্মারকে রেল ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলেও আজও কোন সুরাহা হয়নি।
