চ্যালেঞ্জ কাপের আগে ইনজুরি নিয়ে বিপাকে জাতীয় ফুটবল দল

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:১১
জাতীয় ফুটবল দল নেপালে আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবল খেলতে যাওয়ার আগেই গুরুত্বপূর্ণ একাধিক খেলোয়াড় ইনজুরিতে ভুগছে। অথচ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছিল চ্যালেঞ্জ কাপটিকে। এ নিয়ে দুর্ভাবনায় আছেন সংগঠকরা। জাতীয় দলের অধিনায়ক সুজন, জাহিদ, শাকিল, রেজাউল করিম রেজাসহ বেশ কয়েকজন ইনজুরিতে পড়েছেন। ইনজুরি নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছেন স্ট্রাইকার জাহিদ হাসান এমিলি। তিনি বুকে আঘাত পেয়েছেন। মোহামেডানের বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে গোলকিপার মামুন খানের হাঁটুর আঘাত লেগেছে শেখ রাসেলের স্ট্রাইকার এমিলির বুকে। তিনি নিঃশ্বাস নিতে পারছেন না। জাতীয় দলের ম্যাচ খেলতে নামলে শারীরিক অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে। এমিলি অবশ্য এরপরও জাতীয় দলের প্রাথমিকভাবে ডাক পাওয়া ৩৩ জনের সাথে রিপোর্ট করেছেন গতকাল। সবার সাথে মিলে অনুশীলন মাঠে ছিলেন। এমিলি জানিয়েছেন, বুকে ইসিজি করিয়েছেন। কিন্তু সমস্যা ধরা পড়েনি। আবার নতুন করে পরীক্ষা করাবেন। জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ এই খেলোয়াড়টি আভাস দিয়েছেন চ্যালেঞ্জ কাপ তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে। গতকাল বিকালে বাফুফে ভবনের পাশে ফুটবলের কৃত্রিম মাঠে হালকা অনুশীলন করেন খেলোয়াড়রা। জাতীয় দলের ডাচ কোচ আগামীকাল শুক্রবার সকালে বাংলাদেশে এসেই জানবেন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা চোট সমস্যায় ভুগছেন। জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সাথে সমঝোতামূলক চুক্তি করতে এসে তিনি বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে এসে আবাহনীর অধিনায়ক ওয়ালী ফয়সালের সাথে কথা বলেছিলেন। কোচ ওয়ালী ফয়সালকে বলেছিলেন, বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা পাওয়ার ফুটবল খেলতে পারছে না। এটার অভাব রয়েছে খেলোয়াড়দের মধ্যে। ওয়ালী ফয়সালকে কোচ সেসময় বলেন, ‘ডাচ খেলোয়াড়রা পাওয়ার ফুটবলের উপর নির্ভর করে। আমি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে পাওয়ার ফুটবলটা গেঁথে দিতে চাই।’ গতকাল অনুশীলনের আগে আবাহনীর অধিনায়ক ওয়ালী ফয়সাল জানান, কোচ তাদেরকে বলেছেন মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। আরো চিন্তাভাবনা করে খেলতে হবে। জাতীয় দলের প্রাথমিক তালিকায় নতুন মুখ হচ্ছেন বিজেএমসির তকলিস আহমেদ এবং মুক্তিযোদ্ধার জুয়েল রানা। দীর্ঘদিন পর আবার ডাক পেয়েছেন একই দলের জহিরুল ইসলাম জহির। তিনি ২০০৭ সালে মারদেকা ফুটবলে বাংলাদেশ দলে ছিলেন। উল্লেখ্য, নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠেয় চ্যালেঞ্জ কাপে বাংলাদেশ ফুটবল দল ২ মার্চ প্রথম ম্যাচ খেলবে ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে, ৪ মার্চ নেপাল এবং ৬ মার্চ নর্দান মারিয়ান আইল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলবে। ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল দলের।