হাজীগঞ্জে বিল্ডিং কোডকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অহরহ নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন। ফলে যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা। বিল্ডিং কোড আইন বিষয়ে অনেকেরই ধারণা না থাকা এবং পৌর কর্তৃপক্ষের নীরব দর্শকের ভূমিকাকেই দায়ী করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে পৌরবাসীকে ধারণা দেয়া হলে বিল্ডিং কোড আইনের বাস্তবায়ন বৃদ্ধি পাবে বলে সচেতন মহল মনে করেন। যদিও পৌর এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণ করতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তর ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়; কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষ নামেমাত্র ডিজাইন অনুমোদন দিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করে । অনেক ক্ষেত্রে ডিজাইন যথাযথ পরিদর্শন ছাড়াই অনুমোদন দেয়া হয়। সেক্ষেত্রে দুই-একতলার অনুমোদন নিয়ে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হলেও প্রভাবশালীদের কারণে কোন প্রকার কারণ দর্শানো হয় না বলে অনেকেই জানান।
বিল্ডিং কোড আইন অনুযায়ী প্রতিটি ভবনের পেছনে নূ্যূনতম দেড় মিটার জায়গা খালি এবং ভবনে উঠা-নামার সিঁড়ি পর্যাপ্ত রাখার বিধান রয়েছে। কিন্তু হাজীগঞ্জ পৌর এলাকায় দুই-একটি ভবন ছাড়া কোথাও এ আইনের বাস্তবায়ন নেই। এমনকি হাজীগঞ্জ পৌরসভা বাজারে ভবনটি বিল্ডিং কোড না মেনেই করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আলীগঞ্জ, টোরাগড়, মকিমাবাদ, বলাখাল অন্যতম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে না।
