ফুটবলারদের ডাচ পদ্ধতি রপ্ত করাচ্ছেন কোচ ক্রুইফ

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:২৫
জাতীয় ফুটবল দলের কোচ লুডভিক ডি ক্রুইফ এবং তার সহকারি রেনে কেস্তার ঢাকায় এসে খেলোয়াড়দের নিয়ে বেশ ব্যস্তই রয়েছেন। মার্চে নেপালে অনুষ্ঠেয় এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের জন্য জাতীয় দলকে প্রস্তুত করাতে গত শুক্রবার সকালে ঢাকায় এসে বিকালেই মাঠে নামেন ডাচ কোচদ্বয়। নেপাল যাত্রার আগে হাতে সময় কম বলে গতকাল শনিবার থেকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দুই বেলা অনুশীলন করাচ্ছেন তারা। খেলোয়াড়দের নানা সমস্যা। সবচেয়ে বড় সমস্যা তাদের ফিটনেসের ঘাটতি। কোচ যেভাবে অনুশীলন করাতে চাইছেন সেভাবে অনুকরণ করতে পারছেন না তারা। খেলোয়াড়দের জন্য চাপ হয়ে যাচ্ছে। এটা হচ্ছে ফিটনেসের ঘাটতির কারণে। কোচদের হাতে সময় কম। এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের জন্য পাঁচ দিন আগে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল দলের। তাই সময়ের স্বল্পতার মধ্যেও খেলোয়াড়দের যতটুকু শেখানো যায় সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এই যেমন প্রতিপক্ষের উপর আক্রমণ, আবার ডিফেন্স করা; বল হারালে কি করতে হবে, প্রতিপক্ষের কাছ থেকে কিভাবে বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণ নষ্ট করতে হবে; এমন সব ডাচ ফুটবল প্রথা রপ্ত করাচ্ছেন ক্রুইফ। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা নিজেদের ম্যাচের বাইরে ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করেন না বলেই বিদেশি কোচের কাছে তালিম নিতে গিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম অনুভব করেন। ক্লান্ত হয়ে যান। ডাচ কোচ কেমন অনুশীলন করান তা দেখার জন্য গতকাল সকালে প্রথম থেকেই মাঠে ছিলেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। ডাচ কোচের দুই ঘন্টার অনুশীলন পদ্ধতি দেখে তিনি সন্তুষ্ট। কিন্তু সেসব আয়ত্তের দায়িত্ব এখন ফুটবলারদের মনে করছেন বাফুফে সভাপতি। কোচ ঢাকায় আসার পর যা চাইছেন তা পূরণের চেষ্টা করছে বাফুফে। শাহবাগের আন্দোলনের মাইকের শব্দে সমস্যা হচ্ছে ঢাকা ক্লাবে অবস্থানরত ডাচ কোচদের। বাফুফে সভাপতিকে জানালে তিনি অন্য কোথাও রাখার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন। ২ মার্চ চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবলে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে। ফিলিস্তিনের ম্যাচের ভিডিও ফুটজে দেখতে চেয়েছেন কোচ। এমনকি নেপালে অনুষ্ঠেয় টুর্নামেন্টটির প্রতিটি প্রতিপক্ষ দলের ম্যাচের ভিডিও দেখে নিজেদের কৌশল তৈরির কথা জানিয়েছেন। দলের প্রয়োজনে নেপালে ভিডিও ইউনিট নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন বাফুফে সভাপতি। কাজের প্রয়োজনে কোচ যা কিছুই দাবি করবেন, সবই দেয়া হবে বলে তাদের জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, চ্যালেঞ্জ কাপের জন্য মাত্র বারো দিনে মূল চুক্তির বাইরে ২৫ লাখ টাকা বেতন দিতে হচ্ছে ডাচদ্বয়কে।