২০২১ সালের মধ্যে দেশকে টেকসই উন্নয়নের পথে পৌঁছানোর লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় টেকসই উন্নয়নের কৌশলপত্র ২০১০-২০২১ চুড়ান্ত করা হয়েছে। আগামিকাল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য কৌশলপত্রটি উপস্থাপন করা হবে। পরিকল্পণা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) এ পরিকল্পণা তৈরী করছে। এ বিষয়ে জিইডি সদস্য ড. শামসুল আলম জানান, এ কৌশলপত্রের মাধ্যমে দেশের সকল খাতের সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের অর্থনীতির মর্যাদা অর্জন করার লক্ষ্যে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হল টেকসই উন্নয়ন। গত এক দশকের অধিক সময় ধরে দেশের মাথাপিছু আয় বাড়ছে এবং গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ বজায় রেখে চলছে। অর্থনৈতিক, সামাজিক ও স্থিতিশীল পরিবেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার লক্ষ্যে জাতীয় টেকসই উন্নয়ন কৌশল পত্রে প্রয়োজনীয় কৌশলসমূহ প্রণীত হয়েছে। প্রথমবারের মতো তৈরী করা এ পরিকল্পণা বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার আন্তর্জাাতিক দায়বদ্ধতা পূরণে সরকারের প্রচেষ্টার প্রতিফলন বলে তিনি উলে¬খ করেন।
কৌশলপত্রটি সরকারের রূপকল্প ২০২১, ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫), বাংলাদেশ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১) এবং সরকারের অন্যান্য বিদ্যমান পরিকল্পনা, নীতি ও কৌশলসমূহের উপর ভিত্তি করে প্রণীত হচ্ছে। ড. শামসুল আলম এ ধরনের পরিকল্পণার উদ্দেশ্য বিষয়ে জানান, এ কৌশল পত্রের উদ্দেশ্য হল ঐ সকল কৌশলসমূহ সুপারিশ করা যা কিনা দেশের প্রবৃদ্ধিশীল উন্নয়নে সবচেয়ে বেশী অবদান রাখবে এবং প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলো ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য হবে।
