শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:৩২
ইসলামী ও সমমনা ১২ দলের ডাকা হরতালের দিনে গতকাল শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন হয়েছে। লেনদেনও কমেছে অনেক। এনিয়ে টানা পাঁচদিন ধরে শেয়ারবাজারে দরপতন অব্যাহত রয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২১ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেশিরভাগ কার্যদিবসেই দর বাড়ার মধ্যদিয়ে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক বেড়েছে ২৮০ পয়েন্ট। এরপর থেকে টানা ৫ দিনে সূচক কমেছে ২৫২ পয়েন্ট। এদিকে শেয়ারবাজারে সূচক কমার পাশাপাশি হরতালের প্রভাবে ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আনাগোনাও কম ছিল। ফলে লেনদেনও কমে গেছে। এদিন ডিএসইতে আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১৩৮ কোটি টাকার লেনদেন কমে গেছে। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৯৬ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। অন্যদিকে সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৯ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ১৪৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ৩৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৬৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৯৫ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার ২৩৪ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৮ কোটি ০২ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৬১টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮টির, কমেছে ২৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিন ডিএসইতে হাতবদল হয়েছে ২৬১টি কোমপানির ৭ কোটি ৬ লাখ ১৯ হাজার ২১টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক ৩২০ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৭১৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসই-৩০ মূল্যসূচক ২৩৯ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৯৩৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৭ কোটি ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৬০ টাকা। লেনদেনকৃত ১৮০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২টির, কমেছে ১৬৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪টির শেয়ারের দাম। ডিএসই সূত্র জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ এবং ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাশেষে প্রতিষ্ঠানটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩০ কোটি ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২২ টাকা ৪৫ পয়সা।