রাজধানীতে তিনটি ঘটনায় এক গৃহবধূসহ তিনজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন গৃহবধূ তানিয়া আক্তার (২৪), গৃহকর্মী সুলতানা আক্তার (২০) এবং ওয়ার্কশপ কর্মচারী শামীম হোসেন (১২)। পুলিশ তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়।
রমনা থানার সাব-ইন্সপেক্টর দীপক কুমার পাল জানান, তানিয়া তার স্বামী সন্তানকে নিয়ে মগবাজারের মধুবাগের ৩৫৭/১৪/সি নম্বর বাসায় ভাড়া থাকতেন। তানিয়া মালিবাগ চৌধুরীপাড়া পদ্মা সিনেমা হলের বিপরীত পাশে আল মুসলিম গার্মেন্টসে অপারেটরের কাজ করতেন। পারিবারিক কলহের জের ধরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। গতকাল রবিবার ভোরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মেডিক্যালের ক্যাম্প পুলিশ স্বামী রাসেলকে আটক করে। রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এদিকে দারুস সালামে শামীম হোসেন (১২) নামের এক ওয়ার্কশপ কর্মচারীকে শ্বাসরোধ করে তার সহকর্মী হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
দারুস সালাম থানার সাব-ইন্সপেক্টর অন্বেষ চন্দ্র সরকার জানান, শামীম গাবতলীর দ্বীপ নগরের খানজাহান আলী ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে দোকানে কাজ করত। শনিবার সন্ধ্যায় ঐ দোকানের আরেক কর্মচারী মেহেদী হাসান তার গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর তাকে দোকানের পাশে একটি পরিত্যক্ত বাসের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের চাচা রবিবার সকালে হত্যা মামলা করেছেন।
অপর দিকে মিরপুর মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর ফারুক জামান জানান, সুলতানা আক্তার ৫/৬ বছর ধরে মিরপুর দুই নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত। শনিবার রাতে সে খাওয়া শেষে নিজের কক্ষে ঘুমাতে যায়। গতকাল সকালে সে ঘুম থেকে না ওঠায় পরিবারের লোকজন থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়।
