৭ মাসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ১৫ শতাংশ

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:৫৬
চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রাজস্ব আদায় হয়েছে ৫৩ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৬ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। এই সময়ে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) পিছিয়ে আছে আড়াই হাজার কোটি টাকার বেশি। আলোচ্য সময়ে রাজস্ব আদায়ে গত ২০১১-১২ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ। চলতি বছরে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ। অবশ্য এনবিআরের প্রাথমিক হিসাবে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি আরো বেশি ছিল। মূলত আমদানি শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর অস্বাভাবিক হারে কমে যাওয়ার কারণেই রাজস্বে এর প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন এ খাতের সংশ্লিষ্টরা। এ জন্য আমদানি কমে যাওয়া ও স্থানীয় পর্যায়ে যথাযথভাবে ভ্যাট আদায়ের ব্যর্থতাকে অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন তারা। আলোচ্য সময়ে ভ্যাট খাতে ২১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে প্রকৃত আদায় হয়েছে ১৯ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা। একই সময়ে আমদানি শুল্ক বাবদ ১৯ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ১৮ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। কর বহির্ভূত অন্যান্য খাতেও রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি হয়েছে প্রায় ২২৪ কোটি টাকা। তবে একই সময়ে আয়কর আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে সমর্থ হয়েছে এনবিআর। গত জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ১৪ হাজার ৫৩১ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ১৫ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ঘাটতির বেশ কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছে এনবিআর। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে অভ্যন্তরীণ উেসর সবচেয়ে বড় খাত সিগারেট, বিড়ি, মোবাইল ফোন ও গ্যাস খাত থেকে ভ্যাট আদায় ব্যাপক হারে কমে যাওয়া। এছাড়া আমদানি কম হওয়ায় শুল্ক আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। স্থানীয়ভাবে ভ্যাট আদায়ে একক হিসাবে সিগারেট হচ্ছে সবচেয়ে বড় খাত। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ১২ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এ খাতে আদায় কমেছে অস্বাভাবিকহারে। চলতি বছর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা।