এটাকে দুর্ভাগ্য বলবে নাকি অন্য কিছু। তিন বছর পর আবার টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাদ পড়েছেন এনামুল হক জুনিয়র! গতকাল সোমবার জাতীয় দলের অনুশীলনে উরুর পেশীতে টান পড়ায় শেষ পর্যন্ত ফিজিও বিভব সিংয়ের পরামর্শে তাকে দলের বাইরে রাখা হয়েছে। কাল বিকেলে নির্বাচক কমিটি ও টিম ম্যানেজম্যান্ট বৈঠকে বসে এনামুলকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এনামুল ছাড়াও ১৫ জনের স্কোয়াড থেকে ইনজুরির কারণে বাদ পড়েছেন নাঈম ইসলাম। এই দু্’জনের পরিবর্তে টেস্ট দলে ডাক পেলেন মার্শাল আইয়ুব ও ইলিয়াস সানি।
কাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচক কমিটি থেকে বলা হয়েছে, এনামুলের ইনজুরি সারতে প্রায় সাত থেকে দশ দিন সময় লাগবে। এমতাবস্থায় তাকে খেলানোটা ঝুঁকি মনে হবে। এছাড়া কাল বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ফাইনালের তৃতীয়দিন ব্যাটিং করার সময় পুরানো হ্যার্মাষ্ট্রিংয়ের ব্যথা ফের জেগে ওঠায় ফিজিও তাকে পর্যবেক্ষণ করেন। শেষ পর্যন্ত তাকেও শ্রীলংকা সফর থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নাঈমের ইনজুরিটা বিপিএলের আগে থেকে। এতদিন ব্যথা নিয়েই তিনি খেলেছেন বলে জানালেন বিসিবির ডাক্তার দেবাশীষ চৌধুরী। এতদিন ব্যথা ততোটা জোরালো না হলেও বিসিএলের ফাইনাল খেলার সময় উরুতে আবারো টান অনুভব করেন। এরপর কাল বিকেলে ফিজিও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। নাঈমের পুরোপুরি সেরে উঠতেও দশদিন সময় লাগবে। তাই তার পরিবর্তে মার্শালকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) এবং বিসিএলে সর্বোচ্চ রান মার্শালের। মাত্র একদিন আগে বাঁ-হাতি মিডল অর্ডারকে সুযোগ দিতে গিয়ে প্রধান নির্বাচক মার্শালের বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়ে আফসোস করেছেন। কিন্তু নাঈমের ইনজুরি তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে। অন্যদিকে তিন বছর পর জাতীয় দলে ডাক পেয়েও ইনজুরির কারণে এনামুলকে বাদ পড়তে হলো। তার পরিবর্তে ইলিয়াস সানিকে নেয়া হলেও এই পজিশনে খেলার জন্য দাবিদার ছিলেন মোশাররফ হোসেন রুবেল। বিসিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকার তার (১৮)।
