সাহানাজ। পড়াশোনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার পেইন্টিং বিভাগ থেকে। বর্তমানে শান্ত মরিয়ম ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার হিসাবে কর্মরত আছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই মেয়েটি আদরে আদরে বড় হয়েছেন। ছোট সময় থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকার প্রতি প্রচণ্ড ঝোঁক ছিলো। আইনজীবী বাবার স্বপ্ন ছিলো মেয়ে ব্যারিস্টার হবে। কিন্তু ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ দেখে বাবা তাকে তার পথে এগিয়ে যেতে বাধা দেননি। এক্ষেত্রে বেশি অনুপ্রেরণা পান মায়ের কাছ থেকে। তারপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় ভর্তি হয়ে স্বপ্ন পূরণে এক ধাপ এগিয়ে যান। স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বরাবরই কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন সাহানাজ। পড়াশোনা ও ভালো রেজাল্ট নিয়ে শাহানাজ বলেন, সব সময় শিক্ষকদের ক্লাস লেকচার মনোযোগ দিয়ে শুনতাম। এছাড়া আমি মনে করি পড়াশোনায় অনেক বেশি সময় দেয়ার চেয়ে মনযোগ দিয়ে যতক্ষণ পড়া যায় সেটাই বেশি লাভজনক। ভালো ফলাফলের জন্য প্রেরণা পেয়েছেন মা ও শিক্ষকদের কাছ থেকে। ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে গ্রুপ করে পড়াশোনা কার্যকরি ভূমিকা রাখে বলে সে জানায়। পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠনে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘ ছয় বছর শুদ্ধ উচ্চারণ ও কবিতা আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর সঙ্গে ছিলেন। সাহানাজ মনে করেন জীবনকে সুন্দর করার পেছনে শিল্প চর্চার ভূমিকা অনেক বেশি। সাহানাজ বলেন, মানুষের জীবনে অনেক স্বপ্নই থাকে। তবে একজন ভালো মানুষ হওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। শেষ পর্যন্ত একজন ভালো মানুষ হতে চাই। বিশ্বাস করি সামনে এগিয়ে যাবার জন্য দরকার আত্মবিশ্বাস। মন থেকে চাইলে সব পাওয়া যায় বলে মনে করে সে।
