দেশের ৮০ শতাংশ নারী মানসিক নির্যাতনের শিকার

আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৩, ১৭:৫৮
দেশে শতকরা ৮০ জন নারী মানসিক নির্যাতনের শিকার। পৃথিবীর মোট কাজের শতকরা ৬৫ ভাগ নারীরা করে থাকে। কিন্তু মোট উপার্জনের শতকরা দশভাগ এই নারীরা পায়। দেশে মোট কর্মশক্তির শতকরা ৫৮.৭ শতাংশ নারী কিন্তু মোট উপার্জনের ২২ ভাগ পেয়ে থাকে তারা। শতকরা ৬০ জন নারী তাদের অর্জিত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারে। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের উদ্যোগে সমপ্রতি রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ মিশন ভবন সম্মেলন কক্ষে জাতীয় পর্যায়ের অভিজ্ঞতা বিনিময়মূলক কর্মশালায় এক গবেষণায় এই তথ্য জানান হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় প্রোমোশন অব হিউম্যান রাইট্স ফর প্রিভেন্টিং ভায়োলেন্স এন্ড ডিসক্রিমিনেশন এগেনেস্ট উইমেন এন্ড গার্লস (পিপিভিডি) প্রকল্পের অর্জিত অভিজ্ঞতা এই কর্মশালায় তুলে ধরা হয়। গবেষণায় আরো জানান হয় যে, শতকরা ৮০ ভাগ নারী যারা উপার্জন করে না তারা বিভিন্ন ধরনের গৃহনির্যাতন এবং বৈষম্যের শিকার। কিন্তু যারা উপার্জন করে তাদের মধ্যে শতকরা ১০-২০ ভাগ মহিলা এই নির্যাতনের শিকার হয়। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক ড. এম এহ্ছানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আইনুন নাহার এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডভোকেট ইউ এম হাবিবুন্নেসা। কনসার্ন ইউনিভার্সাল, বাংলাদেশের হেড অব হিউম্যান রাইট্স, শংকর পাল অনুষ্ঠানে ট্রান্সফরমেশন অব উইমেন্স ইকোনোমিক পাওয়ার ইন্টু এ্যাডভ্যান্সমেন্ট অব উইমেন রাইট্স এ্যান্ড এ্যাকসেস টু জাস্টিস-এর ওপর গবেষণামূলক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের কর্মসূচি বিভাগের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম। কর্মশালায় প্রজেক্টের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করা হয়। পিপিভিডি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক রওশন আরা প্রকল্পের অর্জনের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিনিধিবর্গ, সিভিল সোসাইটির সদস্য এবং উন্নয়নকর্মিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।