যুক্তরাষ্ট্রে ব্যয়হ্রাস কার্যকর হলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৩, ২২:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রে স্বয়ংক্রিয় ব্যয় হ্রাসের যে পরিকল্পনা রয়েছে সেটি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি দেশটির কংগ্রেস। শুক্রবারের মধ্যে ডেমোক্র্যাট এবং বিরোধী দল রিপাবলিকান সদস্যরা কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে মধ্যরাত থেকে ব্যয় হ্রাস কার্যকর হবে। ফলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বেকার হতে পারেন অনেকে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের। শুক্রবার দুই দলের কংগ্রেস সদস্যদের বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। সমঝোতা হলে ৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাজেট হ্রাস থেকে রক্ষা পাবে দেশটি। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থা (আইএমএফ) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বাজেট নিয়ে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। বাজেট কার্যকরও হওয়ার কথা শুক্রবার থেকেই। শুক্রবারের মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট অচলাবস্থার অবসান না হলে আপনা থেকেই ৮৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যয় হ্রাস বাজেট কার্যকর হয়ে যাবে। ব্যয় কাটছাঁট ঠেকাতে কর বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছেন ডেমোক্র্যাটরা। কিন্তু রিপাবলিকানরা তা প্রত্যাখ্যান করায় অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলছেন, ভারসাম্যপূর্ণভাবেই আর্থিক ঘাটতি কমাতে দুই পক্ষের একসঙ্গে কাজ করা উচিত। দুই পক্ষ একমত হলে কংগ্রেসের পক্ষে যে কোনো সময়ই ব্যয় কাটছাঁট বন্ধ করা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কোনো সমঝোতা না হলে গ্রিনিচ মান সময় আজ শনিবার ভোর ৪টা ৫৯ মিনিটে ওবামাকে একটি আদেশে সই করতে হবে; যার আওতায় প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট কমবে ১০ শতাংশ এবং মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে শিক্ষাসহ অন্যান্য অনেক খাতে বাজেট কমবে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ হারে। তাছাড়া ব্যয় হ্রাসের প্রভাবে এ বছর বেতন থেকেও বঞ্চিত হতে পারে লাখ লাখ সরকারি কর্মচারী। চাকরি হারাতে পারে ৭ লাখ ৫০ হাজার লোক।