সিএসআর ব্যয়ের ৩২ শতাংশ যাচ্ছে শিক্ষা বৃৃত্তিতে :গভর্নর

আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৩, ১৯:৪৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে সিএসআর-এর গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৮ সালে ব্যাংকগুলো সিএসআর খাতে যেখানে ব্যয় করেছে ৪১ কোটি টাকা, সেখানে ২০১২ সালে ব্যয় করেছে ৩০৫ কোটি টাকা। অর্থাত্ গত পাঁচ বছরে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় সাড়ে সাত গুণ। ২০১২ সালে ব্যাংকগুলো শিক্ষা বৃত্তি কার্যক্রমের আওতায় সর্বাধিক সহায়তা করেছে, যা মোট সিএসআর ব্যয়ের ৩২ শতাংশ। সিএসআর খাতে ব্যাংকগুলোর এ অর্থ ব্যয় ও কর্মযজ্ঞ সত্যিই প্রশংসনীয়। গতকাল রাজধানীর কাকরাইলে এনসিসি ব্যাংক ফাউন্ডেশনের এক বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে গভর্নর এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ২০১২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়। গভর্নর বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মুনাফার একটি ক্ষুদ্র অংশ সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা উচিত। এ বিবেচনায় সিএসআর কর্মকান্ডে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উত্সাহিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষভাবে নজর দেয়। বর্তমানে ব্যাংকগুলো শিক্ষাবৃত্তি, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, খেলাধূলা, অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের বৃত্তি, অবহেলিত ও অনগ্রসর এলাকার জনগণ ও নারী উন্নয়ন ইত্যাদি খাতে যে সিএসআর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তা দেশের দারিদ্র্য নিরসন এবং সামাজিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। সিএসআর কর্মকান্ডের মধ্যে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সবুজ ব্যাংকিং পুরস্কারও রয়েছে বলেও জানান তিনি।