মধ্যকর্ণের প্রদাহ, কানের জন্য ক্ষতিকর ওষুধের ব্যবহার, উচ্চমাত্রার শব্দ দূষণ ও বয়স্কজনিত কারণে মানুষ শ্রুতিহীনতায় আক্রান্ত হচ্ছে। গতকাল রবিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)’র বি ব্লকের নিচ তলায় ডা. মিল্টন হলে আন্তর্জাতিক ইয়ার কেয়ার ডে উপলক্ষে একটি সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএসএমএমইউ’র ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। নাক-কান-গল্প বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাত জোয়ারদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, বিএমডিসি’র সভাপতি অধ্যাপক আবু সফি আহমেদ আমিন, অধ্যাপক ডা. মো. জাহেদুল আলম, অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ, অধ্যাপক কামরুল হাসান তরফদার, অধ্যাপক বেলায়েত হোসেন সিদ্দিকী প্রমুখ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. জহিরুল হক সাচ্চু।
অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক-কান-গলা বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও চিকিত্সা কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে নিয়ে যেতে গবেষণার উপর গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান। মূল প্রবন্ধে সহযোগী অধ্যাপক ডা. জহিরুল হক সাচ্চু জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০০৭ সালের প্রতিবেদন অনুসারে বিশ্বের ৫ শতাংশ মানুষ কানের রোগ ও শ্রুতিহীনতা সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন। বাংলাদেশে ৯ শতাংশ মানুষ এ সমস্যায় ভুগছেন। বিশ্বে ৩২৪ মিলিয়ন বয়স্ক ও ৩২ মিলিয়ন শিশু শ্রবণজনিত বিভিন্ন রোগ বা প্রতিবন্ধিতা সৃষ্টিকারী শ্রুতিহীনতায় আক্রান্ত। এরমধ্যে ৮০ শতাংশ রোগীই হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ১০০ মিলিয়ন মানুষ এ সমস্যায় আক্রান্ত। সচেতন হলে ৫০ শতাংশ রোগীই এ সমস্যা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি
