২২ রপ্তানিকারকের পাওনা আটকে আছে ভারতীয় লিলিপুটের কাছে

প্রণব মুখার্জীর হস্তক্ষেপ চান ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৩, ১৯:৪২
ভারতের চেইন শপ লিলিপুট কিডসওয়্যারের কাছে পাওনা আদায়ে অবশেষে বাংলাদেশ সফররত ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ক্ষতির শিকার ২২ রপ্তানিকারক। রপ্তানিকারকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, রপ্তানির অর্থ না পেয়ে ইতিমধ্যে দায়-দেনায় জর্জরিত কয়েকটি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেছে। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে রপ্তানিকারকদের পক্ষ থেকে এ কথা বলা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে তারা বলেন, প্রায় ৫০ লাখ ডলার দুই বছর ধরে লিলিপুটের কাছে আটকা। বিভিন্ন সময়ে পরিশোধের আশ্বাস দিয়েও তারা কেবল ধোঁকাবাজি করেছে। এর ফলে উভয় দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন তারা। ২০১১ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রায় সব পণ্যে শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা ঘোষণা করে ভারত। এই সুবিধা বিবেচনায় ক্রেতা প্রতিষ্ঠান লিলিপুট বাংলাদেশের ২২ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ লাখ ডলারের রফতানি আদেশ দেয়। রফতানি আদেশ অনুযায়ী তাদের মনোনীত ট্রান্টপোর্ট এজেন্সির কাছে সরাসরি পণ্য হস্তান্তর করে। পণ্য বুঝে পাওয়ার পরও গত প্রায় ২ বছর ধরে কোন পাওনা পরিশোধ করেনি লিলিপুট। এই নিয়ে দু’দেশের বাণিজ্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সচিব, গভর্নর এবং রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দফায়-দফায় আলোচনা করেও কোন অর্থ উদ্ধার করা যায়নি। এখন সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে লিলিপুট। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পানসি নিটের এমডি জামাল হোসেন, অনুপম ফ্যাশনের চেয়ারম্যান মামুন ইসলাম, এমডি ফজলুর রহমান, কেন্ট ফ্যাশনের এমডি মাইনুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।