আইএমএফ’র কঠোর শর্ত মেনে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা পাচ্ছে মিসর

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৩, ২০:৩২
আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) বেঁধে দেয়া কঠিন শর্তে প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুরসি রাজি হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র মিসরকে ২৫ কোটি ডলার সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। রবিবার মুরসির সঙ্গে এক বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এ সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দেন। উদ্বেগজনকভাবে হ্রাস পাওয়া মিসরের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং ক্রমবর্ধমান বাজেট ঘাটতি সামলাতে মুরসি সরকারকে রীতিমতো সংগ্রাম করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় সহায়তাটিকে মিসরের জন্য “অতি দরকারি” বলে বর্ণনা করেন কেরি। তবে আইএমএফের শর্তানুযায়ী সংস্থাটির ঋণ ঝুঁকিমুক্ত করতে মুরসিকে কঠোর অর্থনৈতিক সংস্কারের মধ্যদিয়ে যেতে হবে। গত নভেম্বরে আইএমএফের সঙ্গে সমাঝোতা হওয়া ৪৮০ কোটি ডলারের ঋণ নিয়ে আলোচনা আবার শুরু করতে চায় বলে জানিয়েছে কায়রো। নভেম্বরের পর থেকে কায়রোজুড়ে শুরু হওয়া সহিংস প্রতিবাদের কারণে ঋণ নিয়ে ওই আলোচনা মিসর সরকারের অনুরোধে স্থগিত করা হয়েছিল। কায়রো সফরের শেষ পর্যায়ে এক বিবৃতিতে কেরি বলেন,“মিসরের অতি দরকারের আলোকে এবং আইএমএফের শর্ত পূরণ করবেন বলে প্রেসিডেন্ট মুরসির আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আজ আমি তাকে জানিয়েছি যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুত ৪৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা তহবিলের প্রথম কিস্তি হিসেবে ১৯ কোটি ডলার এখন দিতে পারবে।” ২০১১ সালে হোসনি মুবারক-বিরোধী গণঅভ্যুত্থান চলাকালে মিসরকে ১শ’ কোটি ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কেরি প্রস্তাবিত ১৯ কোটি ডলার প্রতিশ্রুত ওই ১শ’ কোটি ডলারের একটি অংশ। এছাড়া মিশরের ছোট ও মাঝারি কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করার জন্য আরো ৬ কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্র দেবে বলে জানান কেরি। এই অর্থ মিসর-আমেরিকা যৌথ উদ্যোক্তা তহবিল হিসেবে ব্যবহার করা হবে।