খেলোয়াড়দের পুরো কৃতিত্ব দিলেন ডাচ কোচ ক্রুইফ

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৩, ২১:৩৩
খেলা শেষ হওয়ার সাথে সাথে মাটিতে চুমু খেলেন খেলোয়াড়রা। আনন্দে দুই হাত শূন্যে ভাসিয়ে দেন। মামুনুল ইসলাম দৌড়ে গিয়ে ডাচ কোচ ক্রুইফকে কোলে তুলে নিলেন। সব খেলোয়াড়রা কোচকে নিয়ে আনন্দে নাচলেন। নেপালের বিরুদ্ধে এমন একটা বিজয় শিরোপা জয়ের চেয়েও বেশি- বললেন ডাচ কোচ। নেপাল যেভাবে আক্রমণ করছিল তাতে কোচের মনে হয়েছিল ম্যাচটা হাত ছাড়া হয়ে যেত পারে। কারণ সাড়াশি আক্রমণ করে বাংলাদেশের ফুটবলারদের কোণঠাসা করে ফেলেছিলেন স্বাগতিকরা। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশ কোচ যেন হাফ ছেড়ে বেঁচে যান। এতো দর্শকের সামনে ম্যাচটা বের করে নেয়াটা কঠিনই ছিল বলে মনে করছেন ডাচ কোচ। এরজন্য কোচ পুরো কৃতিত্বটা খেলোয়াড়দের দিলেন। গোলদাতা শাখাওয়াত হোসেন রনি বলেন, অনেক জেদ ছিল। ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে গোল মিস করেছিলাম বলে টিমমেটদের কাছে কথা শুনতে হয়েছিল। তাই জিদ ছিল গোল করার। ভাগ্য ভালো গোল পেয়েছি এবং আমরা ম্যাচ জিতেছি। নেপালের পোলিশ কোচ জ্যাক ষ্টিফানোসকি বলেন এটা তার জন্য দুর্ভাগ্য। তিনি বলেন, ‘আমরা ছেলেরা অনেক সুযোগ নষ্ট করেছে। সেগুলো কাজে লাগলে ম্যাচটা আমরাই জিততাম।’ পেনাল্টি থেকে হওয়া প্রথম গোল নিয়ে তিনি সরাসরি রেফারির বিরুদ্ধে কিছু না বলে শুধু ভাগ্যকে দুষেছেন।