কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া, কক্সবাজার, মহেশখালী, পেকুয়া, বদরখালী, রাজাখালি, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকায় উত্পাদিত হয় প্রচুর লবণ। প্রতিদিন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দিয়ে এ লবণ চালান হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে। লবণবাহী গাড়ি থেকে নিঃসৃত হচ্ছে লবণ পানি। লবণ পানিতে পিচ্ছিল হচ্ছে রাস্তা। ফলে মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। সড়কপথে লবণ চালানের সময় লবণ পানি নিঃসৃত না হওয়ার জন্য গাড়িতে জিওট্যাক্স বিছানো বাধ্যতামূলক। কিন্তু তা মানা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনও রহস্যজনকভাবে নীরব। এখন পর্যটন মৌসুম। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা আসেন কক্সবাজারে। অন্য জায়গা থেকে আসা চালকদের এ সড়ক সম্পর্কে অভিজ্ঞতা কম। ফলে পিচ্ছিল অবস্থায় পর্যটকবাহী যানবাহনের চালকরা যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। এদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন স্থানীয়রাও প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। জিওট্যাক্স বিছানো ছাড়া লবণবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মারুফ খান,
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।
