জুভেন্তাসের প্লে মেকার আন্দ্রে পিরলো আজ বুধবার যখন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে স্কটিশ চ্যাম্পিয়ন সেল্টিকের মোকাবেলা করবেন সেসময় তার চেষ্টা থাকবে এক দুঃস্বপ্নকে ভুলে যাওয়া।
পিরলো এসি মিলানের খেলোয়াড় হিসেবে ২০০৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলেছিলেন। সে খেলায় প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও লিভারপুলের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে তার দল তিন গোল হজম করলে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ফাইনালটি পেনাল্টি গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় লিভারপুল। ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন জুভেন্তাস এ দফায় প্রথম লেগে সেল্টিককে তাদের মাঠে হারিয়ে এসেছে ৩-০ গোলে। তারপরও পাল্টা আক্রমণের শঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না পিরলো।
এদিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আরেক খেলায় আজ প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন (পিএসজি) নিজ মাঠে মুখোমুখি হবে স্পানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়ার। ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে প্রথম লেগে ২-১ গোলে জিতেছিল পিএসজি।
সেল্টিক নিজেদের মাঠে হেরেছে। তাদের এখন জিততে হলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নতুন ইতিহাস গড়ে জুভেন্তাসকে রুখে দিতে হবে। কেননা দলটি ইউরোপে ১৭ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে। সব মিলিয়ে তাই ৩৩ বছর বয়সী পিরলো স্কটল্যান্ডের এক পত্রিকাকে বলেন,‘ফুটবলে দীর্ঘদিন আছি বলেই জানি বিস্ময়কর কিছু ঘটতেও পারে। আমি লিভারপুলের সাথে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালটি মনে করতে পারি। লিভারপুল দ্বিতীয়ার্ধে তিন গোল করেছিল। সেল্টিকের জন্য রয়েছে পুরো ম্যাচ। লড়াইটির ফয়সালা হয়ে গেছে ভাবা হবে ভয়ংকর এক ভুল।’
পিএসজির স্পোর্টস ডিরেক্টর লিওনার্দো জানান তার দলটি মূলত গড়া হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য লিগা ওয়ানের ম্যাচের জন্য নয়। তবে লিগ ম্যাচগুলোর যা অবস্থা তা থেকে ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে নাটকীয় উন্নতি ঘটাতে না পারলে ভয়ংকর বিপদ হতে পারে।
ব্রাজিলীয় লিওনার্দো বলেন, ‘আমাদের দলটি হয়তো মেধা ও পাস বিতরণের মানদণ্ডে বলা যেতে পারে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার জন্যই গড়া হয়েছে।’
