হাতিয়ায় পুলিশ-জলদস্যু বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০১৩, ২২:১৯
গতকাল সোমবার বিকেলে হাতিয়ার মেঘনা নদীতে পুলিশ ও জলদস্যুদের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধে এক জলদস্যু নিহত হয় এবং ১৪ জলদস্যুকে আটক করা হয়। নিহত জলদস্যুর নাম কাঞ্চন (২৫) বাড়ি উপজেলা সদর হাতিয়া। আটক জলদস্যুরা হচ্ছেঃ ফারুক প্রকাশ হারুন (২৮), জসীম (৩০), মতিন (৩০), সিরাজ (৩০), মহিবুল্লাহ (২৮), ইস্রাফিল (৩৬), ইরাক (২৩), বাদশা (২), বাহার উদ্দিন (৩০), আলাউদ্দিন ২৮), আবুবক্কর ছিদ্দিক রহিম (৩২), নূরুল ইসলাম (৪৩), জহির (২৫) এদের সকলের বাড়ি হাতিয়া উপজেলার নিঝুমদ্বীপে ও সোনাদিয়া ইউনিয়নে। উদ্ধার করা অস্ত্র ১টি এলজি, ১টি দুনালা বন্দুক, ২টি এক নালা বন্দুক,২টি চাপাতি, ২টি রামদা। পুলিশ কোস্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকালে জলদস্যুরা হাতিয়ার দক্ষিণে মেঘনা নদীতে জেলে নৌকা ডাকাতি শুরু করলে কোস্টগার্ড সদস্যরা তাড়া করে। খবর পেয়ে পুলিশ হাতিয়ার উত্তরাংশে মেঘনা নদীতে অবস্থান নেয়। এসময় পুলিশের সঙ্গে জলদস্যুদের গুলিবিনিময় হয়। এক পর্যায়ে জলদস্যুদের গুলি ফুরিয়ে গেলে তারা ট্রলারে অস্ত্র রেখে নদীতীরে উঠে নলচিরা গ্রামে লুকাতে আসে। স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে জলদস্যুদেরকে ঘিরে ফেলে এবং পিটিয়ে জখম করে। পুলিশ আহত জলদস্যুদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। রাতে কাঞ্চন (২৫) নামে এক জলদস্যুর মৃত্যু হয়। আরো কয়েকজনের অবস্থা আশংকাজনক। সকালে ডাকাতি হওয়া জেলে নৌকার মাঝি দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ডাকাতদের বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় মামলা করেন।