গাড়ি পোড়ানো, ভাংচুর, ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ এবং হত্যাকাণ্ডের মতো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত দুর্বৃত্তদের রাজধানী ঢাকা থেকে নির্মূল করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার বেনজীর আহমেদ। ‘সিটিজেনস সেফটি সেন্টারের’ উদ্বোধন উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘গত এক সপ্তাহ ধরে এরা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। এতে বেশ কিছু নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশের ৬ জন মারা গেছেন। এ ধরনের অপতত্পরতা রোধ করতে হলে সবার সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।’
পুলিশ কমিশনার বলেন, রাস্তাঘাটে পুলিশের ওপর হামলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা এবং বিভিন্ন স্থানে ককটেল নিক্ষেপ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মেনে নেয়া যায় না। তিনি বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। নাগরিকরা যাতে বাড়িতে, রাস্তায়, অফিসে নিরাপদ থাকতে পারেন সেজন্য কমিউনিটি পুলিশ ও বিট পুলিশের পাশাপাশি সিটিজেনস সেফটি সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। এর পাশাপশি পাড়া, মহল্লায় ‘নাগরিক কমিটি’ গঠন করা হবে। নাগরিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যিনি যে এলাকায় বাস করেন তিনি সেই এলাকার দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন অথবা কোনো আপত্তিকর কর্মকাণ্ড দেখলে যাতে তিনি সিটিজেনস সেফটি সেন্টারে জানান সেজন্য তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে তথ্যদাতাদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হবে। অভিযোগ জানানোর জন্য ০১১৯২১১১১২৩, ০১১৯২১১১১২৪,০১১৯২১১১১২৫, ০১১৯২১১১১২৯ এবং সরাসরি ফোন ৯৩৬১০১৬ ও ফ্যাক্স ৮৩৩৩৩২৮ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল জলিল মণ্ডল, ইব্রাহিম ফাতেমী, মিলি বিশ্বাস, যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। অতিরিক্ত কমিশনার ইব্রাহিম ফাতেমীকে এই সিটিজেনস সেফটি সেন্টারের প্রধান করা হয়েছে।
