এলসি খোলা ও নিষ্পত্তি কমেছে

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৩, ২০:৪৫
মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমান কিছুটা বাড়লেও অন্যান্য এলসি খোলা ও নিষ্পত্তির হার আশঙ্কাজনকহারে কমছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাস শেষে (জুলাই-জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে এসেছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে আমদানি দ্রব্যের ওপর ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয়েছে এক হাজার ৮৭২ কোটি ৫ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল দুই হাজার ১০৮ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। সে হিসেবে আমদানি কমেছে ২৩৬ কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলার বা ১১ দশমিক ২২ শতাংশ। অন্যদিকে এ সময়ে বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য দুই হাজার ২৮ কোটি ২৪ লাখ মার্কিন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল দুই হাজার ১১৮ কোটি ৫৯ লাখ ডলার। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে আমদানি পন্যের ওপর এলসি খোলার হারও চার দশমিক ২৬ শতাংশ কমেছে। তবে অর্থবছরের সাত মাস শেষে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার হার নয় দশমিক ৭০ শতাংশ বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বৃদ্ধি পাওয়াটা যেকোনো দেশের অর্থনীতির জন্য ভাল। এর ফলে দেশে নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপিত হওয়ার কারণে নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে। তবে যে পরিমাণ মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ব্যবসায় মন্দার কারণে সার্বিক এলসি খোলা ও নিষ্পত্তিতে প্রভাব পড়ছে। আর আমদানী কম হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বাড়ছে বলে জানান তারা।