দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের সহিংস ও নৈরাজ্যকর কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যায়ের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ।
গতকাল বুধবার প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহবায়ক প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহা স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলার রায় ঘোষণার পর জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবির দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও সহিংস পথ বেছে নিয়েছে। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে দেশকে চরম অরাজক ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের বাড়িঘরে আগুন, লুট, মন্দির ভাঙচুর, জাতীয় পতাকায় আগুন, শহীদ মিনার ভেঙ্গে দেয়ার মতো ঘৃণ্য কাজ করে চলেছে। আমরা এই কর্মকাণ্ডে নিন্দা ও ক্ষোভ জানাচ্ছি। এইসব ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টদের তদন্তসাপেক্ষে শাস্তি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি বিবৃতিতে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখে দাঁড়ানোর জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আপামর জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন: প্রফেসর সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. মো. আখতার ফারুক, প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন মাতিন, প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন, প্রফেসর ড. এম জুলফিকার আলী, প্রফেসর ড. মুন্সী মুনজুরুল হক, প্রফেসর ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম, অধ্যাপক এস. এম. আবু বকর, ড. এস. এম. এক্রাম উল্যাহ, প্রফেসর এ. কে. এম আব্দুল মজিদ, প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস হোসেন, প্রফেসর ড. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান, প্রফেসর ড. এম. নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মো. শামসুদ্দীন ইলিয়াস, প্রফেসর ড. আবু বকর মো. ইসমাইল, প্রফেসর ড. আবুল হাসান চৌধুরী, প্রফেসর ড. মো. মুশফিক আহমেদ, প্রফেসর ড. দুলাল চন্দ্র রায়, প্রফেসর ড. মো. সাইফুল ইসলাম ও প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম।
