তিন স্থলবন্দর দিয়ে ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য অনুমোদন

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০১৩, ১৯:৩৬
এখন থেকে বাংলাদেশের গোবরাকুড়া, কড়ইতলী এবং নাকুগাঁও শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভুটানের সঙ্গে রফতানি ও আমদানি বাণিজ্য সম্পাদন করা যাবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিস আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনে নিয়োজিত অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশে বলা হয়েছে, গোবরাকুড়া, কড়ইতলী এবং নাকুগাঁও শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের সঙ্গে যেসব পণ্যের বাণিজ্য (আমদানি ও রফতানি) অব্যাহত রয়েছে, ভুটানের সঙ্গেও একই ধরনের পণ্যের বাণিজ্য সম্পন্ন করা যাবে। এর আগের দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে দীর্ঘ এক যুগ পর ভুটানকে দুটি রুটে নৌ-ট্রানজিট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এছাড়া বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভুটানকে ১৭ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে সরকার। জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সর্বপ্রথম ভুটানের সাথে বাংলাদেশের ট্রানজিট চুক্তি হয়েছিল। যার মেয়াদ ২০০০ সালে শেষ হয়ে যায়। তবে এ সময়ে ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে খুব বেশি অগ্রগতি হয়নি। দীর্ঘ ১২ বছর পর গত বছরের জুন মাসে সচিব পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ দুটি রুটে নৌ-ট্রানজিট দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগের দুটি রুট হচ্ছে:চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-মাওয়া-আরিচা-সিরাজগঞ্জ-চিলমারী-দাক্ষ্য (ভারতের ধুবরি অঞ্চলের পাশে) এবং মংলা-কাওখালী-বরিশাল-চাঁদপুর-মাওয়া-আরিচা-সিরাজগঞ্জ-চিলমারী-দাক্ষ্য।