অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার অঙ্গীকার

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০১৩, ২২:০০
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন, স্মৃতিচারণ, আলোচনাসভা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের অবিস্মরণীয় দিন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত হলো। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সর্বস্তরের জনতার ঢল নামে। ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় তার প্রতিকৃতি । আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন, স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী এবং সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার প্রথম প্রহর থেকে সারাদেশে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়ে মাইকে বাজানো হয় বঙ্গবন্ধুর সেই অবিনাশী ভাষণ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। সকালে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে ও সারাদেশে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সেখানে পৌঁছলে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী এবং দলীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে দলীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার, আওয়ামী লীগ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, সাহারা খাতুন, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর এলাকা ত্যাগ করার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় যুবলীগ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। এছাড়া আশরাফুন্নেছা মোশাররফের নেতৃত্বে আওয়ামী মহিলা লীগ, নাজমা আখতার ও অপু উকিলের নেতৃত্বে যুব মহিলা লীগ, রওশন জাহান সাথীর নেতৃত্বে মহিলা শ্রমিক লীগ, ডা. ইকবাল আর্সলানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদ, এমএইচ বাবুল ও মোসলেহ উদ্দিন মাসুদের নেতৃত্বে তরুণ লীগ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এছাড়া হকার্স লীগ, মত্স্যজীবী লীগ, যুব শ্রমিক লীগ, তাঁতি লীগ, মুক্তিযোদ্ধা জনতা লীগ, মোটরচালক লীগ, ওলামা লীগ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ, জাতীয় বিদ্যুত্ শ্রমিক লীগ, বাকশাল, আবদুল আহাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, রামেন্দু মজুমদার ও গোলাম কুদ্দুসের নেতৃত্বে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, জাতীয় কবিতা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু লেখক সমিতি, জাতীয় গীতিকবি পরিষদ, বঙ্গবন্ধু আদর্শ মূল্যায়ন ও গবেষণা সংসদ, যুব ইউনিয়ন, ছাত্র ইউনিয়ন, অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সচেতন শিক্ষক সমাজ, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার কল্যাণ সংসদ, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম, ফকির আলমগীরের নেতৃত্বে ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী, সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, ঢাকা প্রবাসী সংহতি পরিষদ, ছিন্নমূল হকার্স লীগ, মুক্তিযোদ্ধা বিসিএস অফিসার্স কল্যাণ সমিতি, বঙ্গবন্ধু ললিতকলা একাডেমী, সোনার বাংলা যুব পরিষদ, সম্মিলিত গার্মেন্টস দর্জি শ্রমিক লীগ, রেলওয়ে শ্রমিক লীগ, ঢাকাস্থ টুঙ্গিপাড়া সমিতি, কৃষি ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন, হলিফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাস্তুহারা লীগ, বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদ, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ, বঙ্গবন্ধু শিল্পীগোষ্ঠী, সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা ঐক্যজোট, রিকশা-ভ্যান শ্রমিক লীগ, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত স্মৃতি পরিষদ, ফাদার অব ন্যাশনস অর্গানাইজেশন, ফোর্স অব বঙ্গবন্ধু, স্বদেশ ফোরাম, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পরিষদ, ডা. এসএ মালেকের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ, নাগরিক কমিটি, আইন সমিতি, শিশু-কিশোর যুব সাংস্কৃতিক জোট, নির্মাণ শ্রমিক লীগ, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড, মুক্তিযোদ্ধা সমাজকল্যাণ পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা উত্তরসূরি ফোরাম, এবি সিদ্দিকীর নেতৃত্বে জননেত্রী পরিষদ, মহিলা গণফোরাম, জাসদ ছাত্রলীগ, আওয়ামী শিল্পীগোষ্ঠী, বঙ্গবন্ধু আইন পরিষদ, যুব সাংস্কৃতিক জোটসহ সর্বস্তরের মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।