চট্টগ্রামে হরতালে উত্তরাঞ্চল থেকে চাল আসা বন্ধ

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০১৩, ২২:৩৬
চট্টগ্রামে পাইকারী বাজারে চালের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। হরতালের কারণে গত এক সপ্তাহে উত্তরাঞ্চল থেকে চট্টগ্রামে কোন চাল আসেনি। ব্যবসায়ীরা পরিবহন সমস্যায় অর্ডার দেয়া বন্ধ রেখেছে। ফলে চালের পাইকারী ও খুচরা বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। সংশিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গাড়ি ভাংচুর, অগ্নিসংযোগের কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিবহন সংস্থাগুলো যানবাহন ভাড়া দিচ্ছে না। চট্টগ্রামে দেশের উত্তরাঞ্চল দিনাজপুর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ থেকে প্রতিদিন প্রচুর চাল আসে। ব্যবসায়ীরা জানান, চট্টগ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার ১৫ থেকে ২০ গাড়ি চাল এসেছে। এদিকে যানবাহন সংকটে পরিবহন সংস্থাগুলো গাড়ি ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। উত্তরাঞ্চল থেকে চট্টগ্রামে চাল আনতে ট্রাক প্রতি ভাড়া ছিল ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। বর্তমানে বাড়িয়ে ২৮ হাজার টাকা নেয়া হচ্ছে। ফলে কেজি প্রতি চালে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে ২ টাকা। ব্যবসায়ীরা আরো জানান, উত্তরাঞ্চলে প্রচুর চাল মজুদ রয়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ ও দিনাজপুরের পাইকারী বাজারে চালের দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। কিন্তু হরতাল ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামে চালের পাইকারী ও খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে। পাইকারী ব্যবসায়ীরা জানান, খুচরা বাজারে কেজিতে ৫-৬ টাকা এবং পাইকারী বাজারে বস্তায় (২ মণ) সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাইকারী ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে চট্টগ্রামে প্রতিদিন ৭০০ থেকে ১ হাজার টন চাল আসে। এসব চাল পাহাড়তলী ও চাক্তাইয়ের পাইকারী বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে। চাক্তাই চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওমর আ জ ম ইত্তেফাককে বলেন, গত এক সপ্তাহ চট্টগ্রামে চাল আনা যাচ্ছে না। এই অবস্থা চলতে থাকলে পাইকারী বাজারে সংকট দেখা দিবে। পরিবহন সংস্থাগুলো ভাড়া না নেয়ায় ব্যবসায়ীরা চালের অর্ডার দিচ্ছেন না।