নবম ও দশম শ্রেণীর ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ে হারাম বিষয় ও দ্রব্যের তালিকার ক্ষেত্রে আপত্তিকর তথ্য সংযোজনের কারণ অনুসন্ধানে গতকাল শুক্রবার তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি ) প্রণীত এ বইয়ে অশালীন ও আপত্তিকর তথ্য কীভাবে সংযোজন করা হলো এর কারণ অনুসন্ধান এবং দায়ীদের চিহ্নিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে যুগ্মসচিবকে (মাধ্যমিক) আহ্বায়ক করে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্য হলেন—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ)। উল্লেখ্য, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ের ৮২নং পৃষ্ঠায় হারাম অংশে হারাম বিষয় ও দ্রব্যের তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আল্লাহ বা দেবদেবী ব্যতীত অন্যের নামে উত্সর্গীকৃত পশুর গোশত হারাম।’
সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে বলেন, ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ে আল্লাহর সাথে দেবদেবীর নাম উল্লেখ করে কোরআনের বিকৃত তথ্য এখানে দেয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআন শরীফের সুরা বাকারার ১৭৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তিনি তোমাদের ওপর হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত, শুকরের মাংস এবং সেসব জীবজন্তু যা আল্লাহ ব্যতীত অপর কারো নামে উত্সর্গ করা হয়।’ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী স্বাক্ষরিত গতকাল পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত ৯ম-১০ম শ্রেণীর ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ পুস্তকের ৮২নং পৃষ্ঠার কতিপয় হারাম বিষয় ও দ্রব্যের তালিকার ক্ষেত্রে ১৫নং লাইনে ৫নং ক্রমিকে ভুলবশত মুদ্রিত অংশ হয়। যা সংশোধন করা হয়েছে। গত ৩০ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে সংশোধন কার্যকর করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ওয়েবসাইটেও উক্ত বইয়ের সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন করা হয়েছে।
