মহিলাদের বয়স ৫০ পার হলে অথবা সহজ কথায় বলা যায় পোস্ট মেনোপজাল মহিলাদের জন্য হাঁড়ের ভঙ্গুরতা বা অস্টিওপোরোসিস রোধে কোন ধরনের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি জাতীয় ওষুধের প্রয়োজন নেই। চিকিত্সকগণ যুগের পর যুগ ধরে বয়স্ক মহিলাদের অস্টিওপোরোসিস রোধে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি জাতীয় ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, মহিলাদের বয়স ৫০ এর কোটায় আসলে অথবা ৫০ পেরোলে অন্তত: এই বয়সের অর্ধেক মহিলাই অস্টিওপোরোসিস-এর শিকার হবেন। একটি আমেরিকান অ্যাডভাইজরি গ্রুপ এ তথ্য দিয়েছে। মার্কিন বিশেষজ্ঞগণ শুধু ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সেবনের অপ্রয়োজনীয়তার কথাই বলেননি, তারা আরো বলছেন পঞ্চাশোর্ধ মহিলাদের উচ্চ মাত্রায় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সেবনের ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এমনকি বেলর কলেজ অব মেডিসিন-এর বিশেষজ্ঞ টাস্ক ফোর্স-এর প্রধান ড: ভার্জিনিয়া ময়ার এবং তার প্যানেল আরো উল্লেখ করেন যে পঞ্চাশোর্ধ পুরুষ ও পোস্ট মেনোপজাল মহিলাগণ উভয়ের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর অস্টিওপোরোসিস রোধের ভূমিকা নেই।
তিনি আরো মনে করেন ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সম্পর্কে যে উপকারিতার কথা বলা হয়ে থাকে তার সপক্ষের যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক তথ্য নেই। ঠিক একইভাবে এন্ডোক্রাইন সোসাইটি ও ভিটামিন ডি এর অস্টিওপোরোসিস রোধে কোন উল্লেখযোগ্য কার্যকারিতা পায়নি। এ ব্যাপারে নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ড: ম্যারিয়ন নেসলে মনে করেন দৈনন্দিন খাবার এবং সূর্যের আলো থেকে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। তাই যথেষ্ট পরিমাণ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ছোট মাছসহ অন্যান্য খাবার খাওয়া উচিত।
