পকেটখালি পুলিশ ফাঁড়ি তুলে নেয়ার খবরে রাজশাহী-নাটোরে আতঙ্ক

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০১৩, ২২:০১
পুঠিয়া-আড়ানী পাঁকা সড়কের পকেটখালি ক্রাইম পয়েন্টের স্থাপিত পুলিশ ফাঁড়ি তুলে নেয়ার খবরে রাজশাহী ও নাটোরের চারটি উপজেলার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আলোচিত পকেটখালি পুলিশ ফাঁড়ি নাটোরের বাগাতিপাড়া থানার অধীনে। কিন্তু এলাকাটি বাগাতিপাড়া, রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট ও পুঠিয়া উপজেলার সীমান্তে জামনগর এলাকায় অবস্থিত। চারটি উপজেলার মানুষ ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করেন। সেখানে রাতের আঁধারে এমনকি দিন-দুপুরেও ছিনতাইকারী ও ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষের সবকিছু কেড়ে নিত। এ কারণে এলাকার প্রকৃত নাম ‘জামনগর’ ছাপিয়ে নতুন নামকরণ হয়েছে ‘পকেটখালি’। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে নিরাপত্তার অজুহাতে পুলিশ ফাঁড়িটি তুলে নেয়া হচ্ছে বলে লোকমুখে খবর ছড়িয়ে পড়ায় উল্লেখিত চার থানার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে আলোচিত পকেটখালি পুলিশ ফাঁড়ির চারদিকে নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ বিষয়ে শুক্রবার সকালে জামনগর ইউনিয়ন পরিষদ অডিটোরিয়ামে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নওশের আলী সরকার বাদশার সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা বলেন, পকেটখালি পুলিশ ফাঁড়িটি তুলে নেয়া হলে এলাকাটি আবারো ভয়াবহ ক্রাইম স্পটে পরিণত হবে। এ ব্যাপারে বাগাতিপাড়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের ওপর দুর্বৃত্তদের ক্রমাগত হামলার কারণে পকেটখালি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে গত ৭ মার্চ ফাঁড়ির কার্যক্রম বন্ধ ও পুলিশ উঠিয়ে নেয়ার নির্দেশ আসে। কিন্তু এলাকাবাসী ও চলাচলকারী চারটি উপজেলার বিপুল সংখ্যক মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ফাঁড়ির চারদিকে একটি সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই আপাতত ফাঁড়ি তুলে নেয়ার নির্দেশ স্থগিত হয়েছে।