রংপুরের কাউনিয়ায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে এলাকার কৃষকরা সফলতা পেয়েছে।
উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এবং তত্ত্বাবধানে টেপামধুপুর ইউনিয়নসহ বেশ কিছু এলাকায় এবছর বাণিজ্যিকভাবে গাজর চাষ হচ্ছে।
গতকাল রবিবার উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়ন ঘুরে পশ্চিম রাজিব গ্রামের সিদ্দিক মিয়ার ছেলে গাজর চাষী মোক্তার আলীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, তিনি ইন্টিগ্রেটেড এগ্রিকালচার প্রডাক্টিভিটি প্রজেক্ট (আইএপিপি) প্রকল্পের সহযোগিতায় এবছর ১৬ শতাংশ জমিসহ মোট ২৫ শতাংশ জমিতে গাজর চাষ করে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ মণ গাজর বাজারে বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, এখান থেকে আরো কমপক্ষে ৭০ মণ গাজর তিনি বিক্রি করবেন। সেখান থেকে খরচ বাদে তার আয় হবে প্রায় ১৭ হাজার টাকা। মোক্তার আলী জানান, গাজরে তেমন রোগ বালাই হয় না।
নিজদর্পা গ্রামের গাজর চাষী জাকির হোসেন জানান, উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আইএপিপি প্রকল্পের আওতায় তিনি প্রথম বারের মতো এবছর ১৬ শতাংশ জমিতে গাজর চাষ করেন। গাজর বিক্রি করে বেশ লাভবান হয়েছেন এবং আগামীতে তিনি আরো বেশি জমিতে গাজর চাষ করবেন। এবছর উপজেলায় প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে গাজর চাষ হয়েছে।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানান, গাজর চাষের জন্য প্রথমে জমি ভালো করে চাষ করতে হয় এবং ২৫ শতাংশ জমির জন্য ৬০ কেজি রাসায়নিক সার এবং ২ টন জৈব সার দিতে হবে। এরপর বীজ রোপণ করতে হয়। তবে যে জমিতে সব সময় রোদ থাকে সেই জমিতে গাজরের ফলন বেশি হয়।
