চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষক প্রার্থী এমদাদুল হকের অপহরণের ঘটনায় আদালতের দুই সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
রবিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এদিকে অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকা প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী, আনোয়ার হোসেন, আসিব মাহামুদ ও মকসুদুল আহম্মেদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেন, আদালদের দুই সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশের ভিত্তিতে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া অপহরণের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মার্চ প্রাণিবিদ্যা বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা দেয়ার জন্য মো. এমদাদুল হক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে পৌঁছানোর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতজন শিক্ষার্থী তাকে অপহরণ করে। এ ঘটনার দুইদিন পর ৩০ মার্চ এমদাদুলক হক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন এবং অনুরোধ করেন যেন তাকে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোন সাড়া না পেয়ে এমদাদুল হক আদালতের আশ্রয় নেন।
আরও পড়ুনঃ পাচারকালে রাজশাহীর সীমান্ত থেকে অস্ত্র-গুলি ও ফেনসিডিল উদ্ধার
পরবর্তীতে ১৮ এপ্রিল আদালত এই পদে নিয়োগের জন্য অনুষ্ঠিত হওয়া মৌখিক পরীক্ষা বাতিল করে নিয়োগ প্রার্থীর আবেদন দুই সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের প্রতি নির্দেশ দেন।
ইত্তেফাক/নূহু

