ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে যুক্ত হচ্ছে ৯ হাজার সিএনজি অটোরিকশা

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৩, ২১:২৯
জনগণের যাতায়াতের সুবিধার্থে আগামী দেড় মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ৫ হাজার এবং চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৪ হাজার অতিরিক্ত ফোর স্ট্রোক থ্রি হুইলার সিএনজি অটোরিকশা সংযুক্ত করা হবে। যোগাযোগমন্ত্রী গতকাল যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয় সভাশেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সভায় সড়ক বিভাগের সচিব এমএএন ছিদ্দিক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আমিনুর রহমান লস্কর, বিআরটিএ-র চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান খান, ডিটিসিএ-র নির্বাহী পরিচালক আফতাব উদ্দিন তালুকদার, বিআরটিসি-র পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়সহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। নতুন অটোরিকশা সিএনজি সংযুক্তির ফলে ঢাকা মহানগরীতে এর সংখ্যা ২০ হাজার ৬ শ ৯৬ এবং চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৭ হাজারে দাঁড়াবে। মন্ত্রী জানান, হাইকোর্টের দায়েরকৃত রিট পিটিশন প্রত্যাহার হওয়ায় ঢাকায় সিএনজি অটোরিকশা প্রতিস্থাপনে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। মন্ত্রী বলেন, ট্যাক্সিক্যাব গাইড লাইন ২০১০-এর অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত রেখে নতুন কোম্পানীর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১ হাজার ট্যাক্সিক্যাব ফিট থাকার কথা থাকলেও বাস্তবতার নিরিখে ১ হাজারের পরিবর্তে কমপক্ষে ২০০টি ট্যাক্সিক্যাব ফিট থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত ৫টি যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্রের (ভিআইসি) মধ্যে মিরপুর ভিআইসি চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির সাথে আগামী ১৮ মার্চ ২০১৩ এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। পরবর্তীতে অন্যান্য কেন্দ্রসমূহ চালু করার উদ্যোগ নেয়া হবে। সিএনজি’র অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রীদের হয়রানি প্রতিরোধে অবিলম্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলেও মন্ত্রী জানান। এছাড়া বিআরটিএ-র বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দলিল-দস্তাবেজ ডিজিটাল আর্কাইভের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হবে। মন্ত্রী বলেন, গত আড়াই মাসে বিক্ষোভ, হরতাল ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ১৮টি ডাবল-ডেকারসহ বিআরটিসি-র ৮১টি বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।