টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌরসভার চন্দবাড়ি গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ঐ ঘটনার শিকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনকে নিরাপত্তা প্রদানের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়েও রুল জারি করা হয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার এবং টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী করা আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেয়।
মঙ্গলবার একটি জাতীয় দৈনিকে ‘সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের হাত থেকে রক্ষা পেতে টাঙ্গাইলের ১৩ হিন্দু পরিবারের থানায় আশ্রয়’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌরসভার চন্দবাড়ি গ্রামের হিন্দু পরিবারের সদস্যরা একদল সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের হাতে এখন জিম্মি। সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে নানা অত্যাচার-নির্যাতনের পর এখন তাদের গ্রামছাড়া করার পাঁয়তারা করছে। পরিবারের সদস্যরা রবিবার বিকালে দলবেঁধে থানায় হাজির হয়ে জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে আবেদন দায়ের করেন বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের প্রেসিডেন্ট এডভোকেট রবীন্দ্র ঘোষ। আবেদনকারী নিজেই আবেদনের পক্ষে এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এডভোকেট অমিত তালুকদার শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেয়।
