শান্তি সম্প্রীতি না থাকলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হয় না। মানবাধিকার লংঘন অর্থই হচ্ছে অন্যের অধিকার লংঘন। ৪২ বছর ধরে মানবতা লঙ্ঘনকারীদের, নিরাপত্তাহীন বিষয় বাঁচিয়ে রেখে, আমরা যুদ্ধাপরাধীদের কর্মকাণ্ডকে বাঁচিয়ে রেখেছি।
গতকাল বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের হানিফ খান মিলনায়তনে ‘শান্তি, সম্প্রীতি, মানবাধিকার এবং তানভীর মোহাম্মদ ত্বকীসহ সকল হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল একথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করেই অনুধাবন করতে পারছি যে, জাগরণী মঞ্চের রাজীব, সিলেটের জগত্ জ্যোতি, চট্টগ্রামের হরিশীলসহ ৭০ জনের মত মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। কিছু মৃত্যু রাষ্ট্রীয় বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডবের কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পর পর কয়েকটি হত্যাকাণ্ড আমাদের মধ্যে যে ভীতি সঞ্চার করেছে সেই বিভীষিকা, অসহায়ত্ব ও বিচারহীনতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সাহস করে বলতে হবে এ সকল ঘটনার সাথে কারা জড়িত। এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জবাসীকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
মানবাধিকার আইনজীবী পরিষদ নারায়ণগঞ্জের সভাপতি অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য দেন নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সিপিবির দুলাল সাহা, বাসদ নেতা নিখিল দাস, উদীচীর সাধারণ সম্পাদক পিন্টু সাহা প্রমুখ। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মানবাধিকার আইনজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান।
