র্যাব-৮ এর অধীন সিপিসি-১ এর কর্মএলাকা বরিশালের ৪ জেলায় গত সাড়ে ৩ বছরের অভিযানে দুসহস্রাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২৫ হাজার বোতল ফেন্সিডিল, সাড়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবা, ১১৫টি আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সাড়ে ৩১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। সিপিসি-১ এর অধীন বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠী ও পিরোজপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে এ সাফল্য আসে।
গত সাড়ে ৩ বছরের অপরাধ দমনের চিত্র থেকে জানা যায়, ২৫ হাজার বোতল ফেন্সিডিল ও ৬৫ লিটার ফেন্সিডিল বিভিন্ন অবস্থায় রাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। শুধু ফেন্সিডিলের সাথেই গ্রেফতার করা হয় ২১০ জন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীকে। ৫৮০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয় ১৬২ জনকে। সাড়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয় ৬৭ জন। ১১৮ লিটার বাংলা মদসহ গ্রেফতার করা হয় ৫ জনকে। প্রায় ৭ কেজি হেরোইনসহ গ্রেফতার করা হয় ৪০ জনকে। ৬৪ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে উদ্ধার করা হয় ২০টি পিস্তল, ২৫টি এলজি, ১৭টি ওয়ান শ্যুটার গান, দুটি টু-টু বোর রাইফেল, থ্রি-নট-থ্রি ৬টি রাইফেল, ১০টি বন্ধুক, ৩২টি পাইপগান ও ৫টি এয়ারগান। ২০ জন আন্তঃজেলা ডাকাত দলকে গ্রেফতার করে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৬৪টি ধারালো অস্ত্রসহ ডাকাতির বিভিন্ন মালামাল। পলাতক আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে ৬৭৩ জন। অপহরণকারীদের কবল থেকে উদ্ধার করা হয় ১৪ জনকে এবং ১০ অপহরণকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। সাড়ে ৬শ রাউন্ড তাজা গুলি ও ১০টি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয় ৪টি জেলা থেকে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সাড়ে ৩১ লাখ টাকার বেশি জরিমানা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়। ২৭ জন চিহ্নিত ছিনতাইকারী ছাড়াও সন্দেহভাজন ২২৭ জনকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন থানায় সোপর্দ করা হয় গত সাড়ে ৩ বছরে। ৪৮ জন গাড়ি চোরকে আটক করে তাদের কাছ থেকে ১৪৫টি মোটর সাইকেল, ৫টি মাইক্রোবাস ও ৬টি চোরাই ট্রাক উদ্ধার করা হয়। ৪ লাখ টাকার বেশি জাল নোটসহ গ্রেফতার করা হয় ৫ জনকে। ৩৭ জনকে জেহাদি বই ও লিফলেটসহ গ্রেফতার করা হয়। জুয়াড়ি গ্রেফতার করা হয় ১৫৮ জন। ৫৯ জন প্রতারক ও ২৮২ ব্যক্তিকে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।
