নোয়াখালীতে সকাল সন্ধ্যা হরতাল পালন

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৩, ২২:৫১
দু’একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ জোটের ডাকে নোয়াখালীর সর্বত্র শান্তিপূর্ণভাবে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হয়। হরতাল চলাকালে বিভিন্ন স্থানে পিকেটাররা রেল লাইনে, সাংবাদপত্রে অগ্নিসংযোগ ও চারটি গাড়ি ভাংচুর করে। হরতালের শুরুতে ভোরে জেলা শহর থেকে ৫ জন পিকেটার ও বুধবার রাতে সহিংসতার আশঙ্কায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে বিএনপির ৪ জন ও জামায়াত-শিবিরের দুই কর্মীসহ ৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। বিএনপির কেন্দ ীয় কার্যালয় থেকে গত সোমবার গ্র্রেফতারকৃত বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক এমপি এবং কেন্দ ীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নোয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি সাবেক এমপি মোহাম্মদ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার নোয়াখালীর সর্বত্র এই হরতাল পালিত হয়েছে। সকালে হরতাল সমর্থকরা জেলা শহরের মাইজদী বাজার, কল্যাণ হাইস্কুলের সামনে, দত্তের হাটসহ জেলার বিভিন্ন সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে ব্যারিকেড দেয়। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মাইজদী কোর্ট ষ্টেশন সংলগ্ন মহিলা কলেজের পাশে রেল লাইনে আগুন ধরিয়ে দেয় পিকেটাররা। পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আগুন নিবিয়ে ফেলে এবং সড়কগুলোর ব্যারিকেড তুলে নেয়। হরতাল চলাকালে অফিস-আদালত খোলা থাকলেও জেলা শহরের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে রিকশা ছাড়া ভারী কোন যানবাহন চলাচল করেনি। সকাল থেকে জেলা শহরে কয়েক দফা ১৮ দলের নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ আজাদের নেতৃত্বে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে। অন্যদিকে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহরে স্থানীয় এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগ হরতাল বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল করে।