মাত্র ১৯ দিনের ব্যবধানে মংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলে আরো ১টি সিমেন্ট বোঝাই কার্গো ডুবে গেছে । এমভি মোতাহার হোসেন নামের এ কার্গোটি কার্গো-নাবিকদের অবহেলার তালিয়েগেছে । মংলা-ঢাকা নৌ রুটের মুখেই ১১ হাজার ব্যাগ সিমেন্ট নিয়ে ডুবে যায় এ জাহাজটি। দুর্ঘটনার পর পরই জাহাজের মাষ্টারসহ ৯ নাবিক অক্ষত অবস্থায় সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে এ ঘটনায় মংলা-ঢাকাসহ অভ্যন্তরীন নৌ রুটে সকল প্রকার মালবাহী কার্গোজাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
ডুবে যাওয়া লাইটারেজ জাহাজের মাস্টার ইব্রাহিম হোসেন সুন্দরবনের অভ্যন্তরের পশুর নদীর ঢাকা-মংলা নৌপথের শাখা চ্যানেলে প্রবেশকালে জয়মনি এলাকায় সিমেন্ট বোঝাই এ জাহাটি ডুবো চরে আটকে পড়ে। এ ডুবো চর থেকে নামাতে প্রায় ৮ ঘন্টা চেষ্টার পর ঘটনাস্থলেই তলা ফেঁটে ডুবে যায় জাহাজটি। এদিকে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সিমেন্টের কাঁচামাল ক্লিংকার নিয়ে পশুর চ্যানেলের হারবাড়িয়ায় ডুবে যায় মোকসেদপুর-২ নামে একটি কার্গো জাহাজ। যা এখনো উদ্ধার করা যায়নি। এদিকে প্রতক্ষ্যদর্শী জনৈক ব্যবসায়ী জানান, কার্গোর নাবিকরা চ্যানেলে কার্গোটি বেঁধে রাখে । তবে ভাটির সময় কার্গোটি পিছনের অংশ কিনারের চরে উঠে যায় । এ সময় অপর অংশ মূল চ্যানেলে ডেবে গেলে এটির তলা ফেটে ডুবে যায় । এভাবে একের পর এক লাইটারেজ পশুর চ্যানেলে ডুবে যাওয়ায় দেশি বিদেশি বানিজ্যিক জাহাজ মংলা বন্দরে চলাচল করতে দারুন বিঘ্ন হচ্ছে ।
