আত্মজীবনী লিখছেন ববিতা

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০১৩, ১৮:৫১
এ দেশের সফল চিত্রনায়িকা হিসেবে ববিতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন সত্তরের দশকেই। এখন তিনি অনেক নায়িকা-অভিনেত্রীর আদর্শও। কিংবদন্তি এই চিত্রনায়িকা শুধুই অভিনয়ের সীমানায় আটকে থাকেননি, এ দেশের সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকতে যুক্ত হয়েছেন জাতিসংঘের সঙ্গেও। তিনি এখন জাতিসংঘের বাংলাদেশি শুভেচ্ছা দূত। সত্যজিত্ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে সেই ১৯৭৩ সালেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমাদৃত হয়েছেন তিনি। বিশ্বব্যাপী একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ববিতার সাফল্যের জন্য ভারত থেকে একাধিকবার ববিতাকে তার আত্মজীবনী লেখার জন্য অনুপ্রাণিত করা হয়েছিল। কিন্তু ববিতা এতদিন রাজি হননি। এবার নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিজের আত্মজীবনী লেখার। তবে অন্য কোনো দেশের জন্য নয়। নিজ দেশ বাংলাদেশের কোনো এক প্রকাশনী সংস্থা থেকেই প্রকাশ হবে ববিতার এই আত্মজীবনী। ববিতা বলেন, ‘আমার এই আজকের ববিতা হয়ে ওঠার পেছনে অনেকের অবদান রয়েছে। তাদের সবার কথা আমি তুলে ধরতে চাই আমার এই আত্মজীবনীতে। আমার পথচলাসহ স্মরণীয় কিছু কথা ও ঘটনা তুলে ধরব এখানে। তবে খুব তাড়াহুড়ো করে লিখতে চাই না।’