ড্রোন হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং আদিবাসী কাঠামোগুলো ধ্বংস করছে বলে জাতিসংঘের এক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক মন্তব্য করেছেন। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘের মানবাধিকার হাই কমিশনের দপ্তর থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে শুক্রবার সংস্থাটির মানবাধিকার ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী বিশেষজ্ঞ বেন এমারসন একথা বলেছেন।
এমারসন বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি অথবা রাষ্ট্রের বৈধ সরকারের সম্মতি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের ওয়াজিরিস্তানসহ এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলা নিয়মিত ঘটনা। এ ধরনের হামলায় বহু নিরপরাধ মানুষ নিহত হচ্ছে। শুধু পাকিস্তানই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের চালকবিহীন বিমান হামলায় অন্যসব অঞ্চলের নিরপরাধ মানুষও নিহত হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, যেহেতু পাকিস্তানের ঐ অঞ্চলের পশতুভাষী অধিবাসীরা তালেবানদের মতোই পোশাক পরে সেহেতু হামলাকারীরা নির্বিচারে তাদের ওপর হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্র প্রায় আট হাজার চালকবিহীন বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। তারা শুধু একটি ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে ঐ নির্বোধ যন্ত্রটিকে পরিচালনা করে, যেটা সাধারণ মানুষ আর জঙ্গির পার্থক্য করতে জানে না।
