শ্যামনগর উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মামলা হওয়ায় আটুলিয়া ও কাশিমাড়ি ইউনিয়নের মানুষ ঘর ছাড়া।
২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর শ্যামনগর উপজেলায় কয়েকটি ইউনিয়নে জামায়াত, বিএনপিসহ সাঈদী সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এসময় আটুলিয়া ও কাশিমাড়ি ইউনিয়নের অ’লীগের দু’টি অফিস ও সংখ্যালঘু এক পরিবারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে। পুলিশের ওপর হামলাসহ কর্তব্য কাজে বাধা দেয়ায় শ্যামনগর থানার উপ-পরিদর্শক হজরত আলী বাদি হয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এছাড়া একই ঘটনায় আটুলিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের অফিস ভাংচুরের অভিযোগে সভাপতি তাজউদ্দীন আহম্মদ বাদি হয়ে জামায়াত, বিএনপির বিরুদ্ধে মামলা করে। গত ৭ ও ৮ মার্চ উপজেলার কাশিমাড়ী পল্লীতে আ’লীগ, পুলিশ ও জামায়াত-বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনায় ১৭ জন আহত ও একজন গুলিবিদ্ধ হয়। এখানে পৃথক ছয়টি মামলায় ৭১২ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও প্রায় তিন হাজারের ও বেশি আসামিকে অজ্ঞাত হিসেবে দেখানো হয়েছে। এ সুযোগে সরকার সমর্থক একদল সুবিধাভোগী অজ্ঞাত ব্যক্তির তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে দেবে বলে ভীতি প্রদর্শন করে জামায়াত ও বিএনপি সর্মথকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানায়। তবে অভিযোগ উঠেছে সংঘর্ষ দুটি ইউনিয়ন আটুলিয়া এবং কাশিমাড়ীতে সংঘটিত হলেও গোটা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছে।
