পুলিশের উপর থেকে জনগণের আস্থা উঠে যাচ্ছে :জামায়াত

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৭
জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এক বিবৃতিতে বলেছেন, পুলিশ বাহিনীকে দলের ক্যাডারের মত ব্যবহার করছে সরকার। জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য তারা মানবাধিকার লংঘন করছে। মানুষের জীবনের উপর হামলা চালাচ্ছে। দেশের প্রতিটি মানুষ আজ অস্বস্তিতে আছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সরকারের মানবাধিকার লংঘনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিটি হত্যার তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে। কিন্তু এ সরকার সেদিকে কর্ণপাত না করে তাদের অপকর্ম অব্যাহত রেখেছে। পুলিশের মানবাধিকার লংঘন, নির্বিচারে গুলিবর্ষণ ও দলীয় ক্যাডারের মত আচরণের কারণে পুলিশকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন থেকে বাদ দেয়ার আলোচনা চলছে। দলীয় আনুগত্যের কারণে পুলিশ আজ সমালোচিত ও নিন্দিত। পুলিশের উপর থেকে জনগণের আস্থা উঠে যাচ্ছে। গতকাল রবিবার প্রদত্ত বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচার চায় না। সরকার জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে যুদ্ধাপরাধী বানিয়ে আদালতের মাধ্যমে হত্যা করতে চায়। এটা সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার বিচার। জনগণ এ বিচার মানে না। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও বিশ্ব সম্প্রদায় ট্রাইব্যুনাল ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দেশের মানুষ সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিচার রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবে ইনশাআল্লাহ। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর এড: এহসানুল মাহবুব জুবায়েরকে গ্রেফতার করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ।