ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে রায়পুরায় পাম চাষ করেছেন কিছু সংখ্যক কৃষক। ইতিমধ্যে অনেক গাছে ফল আসতে শুরু করেছে। এসব পাম ফল কোথায় কি করবেন, কিভাবে তেল সংগ্রহ করবেন এসবের কোন কিছুই জানেন না এলাকার কৃষকরা। ফলে পাম চাষ করে এখন চরম বিপাকে পড়েছেন তারা।
পরিবারে ভোজ্য তেলের যোগান দিতে ও পাম চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পাম বাগান করেন রায়পুরা উপজেলার সাহেরখোলা গ্রামের কৃষক হাজী মোঃ নূরুল ইসলামসহ আরো অনেকে। কিন্তু সঠিক পরিচর্যার অভাবে মরে যাচ্ছে অনেক চারা। যে সব চারা বেঁচে আছে সেগুলো ধীরে-ধীরে বড় হয়ে এখন পূর্ণাঙ্গ গাছে পরিণত হয়েছে। ফল আসতে শুরু করায় অধিকাংশ গাছই এখন ফলনে ভরপুর। দেখতে খেজুর গাছের মতো। এসব ফলন দেখে পার্শ্ববর্তী এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তবে পাম চাষে সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোন উদ্যোগ না থাকায় হতাশায় ডুবে রয়েছেন এসব চাষিরা। তারা ভাবছেন পাম চাষ করার পর এসব পাম ফল বিক্রি ও সঠিকভাবে বাজারজাত করতে না পারলে তাদের এ পরিশ্রম নিষ্ফল হবে। কখনো লাভের মুখ দেখতে পারবে না তারা।
উপজেলা সাহেরখোলা এলাকার পামচাষি হাজী মোঃ নূরুল ইসলাম জানান, প্রায় তিন বছর আগে পার্শ্ববর্তী গ্রামের একজনের কাছে পাম চাষে সাফল্যের কথা শুনে এ চাষের প্রতি তার আগ্রহ জন্মায়। তখন প্রতিটি ৩৫টাকা করে প্রায় একশ’ চারা ক্রয় করে বাড়ির পাশেই আধা বিঘা জমিতে বাগান করেন। সঠিক পরিচার্যার অভাবে ধীরে ধীরে অনেকগুলো চারা মরে গেছে। বর্তমানে প্রায় ৩০টি চারা রয়েছে। এর অধিকাংশ গাছই ফলনে ভরপুর। কিন্তু এসব ফল থেকে কিভাবে তেল বের করবেন সেটি এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রায়পুরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বেনজীর আলম বলেন, পাম চাষ অত্যন্ত লাভজনক একটি ফসল। এটি চাষ করে খুব সহজেই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।
