চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে গণপিটুনিতে আবদুল খালেক (৪০) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে এবং আহত ৪ ডাকাতকে গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী। আটক ডাকাত ওবায়দুল হক (৩৫), আলী হোসেন (৩০), মোহাম্মদ আলী ও জাকের হোসেনকে (৩৫) আশংকাজনক অবস্থায় বাঁশখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার নাপোড়া গ্রামে এই গণপিটুনির ঘটনা ঘটে। সোমবার ভোরে নাপোড়া গ্রামের মেহের আলির বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে জনতার হাতে এসব ডাকাত ধরা পড়লে এলাকার বিক্ষুব্ধ লোকজন তাদের গণপিটুনি দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ গতকাল বিকাল ৪টার দিকে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। নিহত ডাকাত জঙ্গল নাপোড়া গ্রামের জনৈক শফিউল আলমের ছেলে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল ভোরে পার্শ্ববর্তী চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দা ও স্থানীয় ২৫-৩০ জনের ডাকাত দল নাপোড়া গ্রামের মেহের আলির বাড়িতে হানা দেয়। খবর পেয়ে এলাকার হাজার হাজার মানুষ তাদের ধাওয়া করে। এসময় ডাকাতদলের অধিকাংশ সদস্য গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ৫ ডাকাতকে জনতা ধরে গণপিটুনি দেয়। এক পর্যায়ে ডাকাত আবদুল খালেক প্রাণ হারালে জনতা অপর ৪ ডাকাতকে গাছের সাথে বেঁধে পেটাতে থাকে। খবর পেয়ে পুলিশ প্রায় ১২ ঘন্টা পর থানা থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরবর্তী ঐ দুর্গম এলাকায় গিয়ে নিহত ও আহত ডাকাতদের উদ্ধার করে। নিহত ডাকাত আবদুল খালেক জঙ্গল নাপোড়া গ্রামের শফিউল আলমের ছেলে। অপরদিকে আহত ওবায়দুল হকের বাড়ি পেকুয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালীতে এবং অপর তিন জনের বাড়ি নাপোড়া গ্রামে। হতাহতদের সকলেই এলাকার চিহ্নিত ডাকাত বলে পুলিশ জানিয়েছে। বাঁশখালী থানার ওসি কামরুল হোসেন বলেন, এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। নিহত ডাকাতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
