ডলারের বিপরীতে টাকা ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৮
আমদানি ব্যয় হ্রাস, রেমিটেন্সের উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকায় মার্কিন ডলারের বিপরীতে আন্ত:ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে টাকা ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে টাকার মূল্যমান ডলারের বিপরীতে শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এ সময়ে ডলারের দাম কমেছে ২০ পয়সা । আর গত সাড়ে ১৩ মাসের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার মান বেড়েছে ৫ টাকা ৯০ পয়সা। শতকরা হিসেবে এ সময়ে ডলারের বিপরীতে টাকার মান বেড়েছে প্রায় ৭ শতাংশ। জাতীয় অর্থনীতির জন্য এই অবস্থাকে স্বস্তিদায়ক বলে মনে করছেন বিশে¬ষকরা। এতে অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ কমবে। তবে রফতানি প্রবৃদ্ধিকে ধরে রাখতে ডলারের দাম আর কমতে দেয়া ঠিক হবে না বলে তারা সতর্ক করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোমবার আন্তঃব্যাংকিং চ্যানেলে প্রতি ডলারের বিপরীতে সর্বনিম্ন বিনিময় হার ছিল ৭৮ টাকা ৫৫ পয়সা। গত বছরের ২৯ জানুয়ারি আন্তঃব্যাংকে মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলার দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৮৪ টাকা ৪৮ পয়সায় লেনদেন হয়। এরপর থেকে ডলারের দরপতন শুরু হয়। সেই ধারা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এদিকে কার্ব মার্কেটেও (খোলা বাজার) ডলারের বিপরীতে টাকা শক্তিশালী হচ্ছে। খোলা বাজারে বর্তমানে প্রতি ডলার ৮০ থেকে ৮০ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। অথচ গতবছর জানুয়ারিতে ৮৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে এই ডলার। অন্যদিকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরোর বিপরীতেও টাকা শক্তিশালী হচ্ছে। এছাড়া ব্রিটিশ পাউন্ড, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, জাপানী ইয়েন, কানাডিয়ান ডলার, সুইস ফ্রাঁ, সৌদি রিয়াল, ইউএই দিরহাম, কুয়েতি দিনার, সুইডিশ ক্রোনা ও মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের বিপরীতে টাকার অবস্থান শক্তিশালী হওয়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।