রংপুরে পরিবহন মালিকরা মুখোমুখি সংঘর্ষের আশংকা

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০১৩, ২০:২৪
রংপুরে টোলের নামে চাঁদাবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পিকআপ মালিক সমিতি ও কার-পিকআপ-মাইক্রোবাস ওনার্স এসোসিয়েশন পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি গ্রহণ করায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে। জানা যায়, জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এমএ মজিদের ভাগ্নে আশরাফুল আলমের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে কার, মাইক্রো, পিকআপ ও জীপ চালকরা আশরাফুলের গ্রেফতার দাবিতে ১০ ফেব্রুয়ারি অবরোধ করে বিক্ষোভ করলেও অবৈধভাবে নগরীর ছালেক পাম্প, শাপলা চত্বর, মেডিক্যাল মোড়, রহমান পাম্প এলাকায় টোল আদায় করছে কার-পিকআপ-মাইক্রোবাস ওনার্স এসোসিয়েশন। এ ব্যাপারে কামারপাড়া এলাকার পিকআপ চালক লিমন সরকার বাদি হয়ে আশরাফুল আলম, শাহারুল আলম ও অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করে কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মহানগরীর সাতমাথাস্থ রংপুর জেলা পিকআপ মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে রংপুরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ডিস্ট্রিক কার-পিকআপ মাইক্রোবাস ওনার্স এসোসিয়েশনের কার্যক্রম বাতিলের দাবি জানিয়েছে রংপুর জেলা পিকআপ মালিক সমিতি। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হলে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের আল্টিমেটাম দিয়েছে সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম জানান, তাদের সংগঠনের ৪শ’ সদস্যের কাছ থেকে বৈধভাবে টোল আদায় করছে। এতে বাধ সেধেছে কার-পিকআপ-মাইক্রোবাস ওনার্স এসোসিয়েশন। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, রংপুরে জয়েন্ট স্টক কোম্পানির অনুমোদন নিয়ে রংপুর ডিস্ট্রিক কার, পিকআপ, মাইক্রোবাস ওনার্স এসোসিয়েশনের নামে আসিফ খান বাপ্পি রংপুর পিকআপ মালিক সমিতির নামে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সেই সাথে তিনি বিধিবহির্ভূতভাবে চাঁদা আদায় করছেন। ইতিপূর্বে বাপ্পী জেলা পিকআপ মালিক সমিতির টোল আদায়কারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এদিকে জেলা পিকআপ মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে গ্রেফতার এবং অবৈধভাবে টোল আদায় বন্ধের এক মাসের আল্টিমেটাম দিয়েছে রংপুর ডিস্ট্রিক কার, পিকআপ, মাইক্রোবাস ওনার্স এসোসিয়েশন। অন্যথায় অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে নেতৃবৃন্দ। গত ১৭ মার্চ রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই আল্টিমেটাম দেয়া হয়।