লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ খাগড়াছড়ির ২৪ হাজার বিদ্যুত্ গ্রাহক

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০১৩, ২০:২৭
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি সামপ্রতিক সময়ে খাগড়াছড়ি জেলার ৮টি উপজেলা এবং খাগড়াছড়ি বিদ্যুত্ বিতরণ ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার হাজার হাজার বিদ্যুত্ গ্রাহক লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজের শিকারে পড়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। একদিকে চড়া দামের বিদ্যুতের বিল পরিশোধ অপরদিকে মোমবাতি আর কেরোসিনের মূল্য দিতে দিতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে সকল বিদ্যুত্ গ্রাহক। প্রকাশ, খাগড়াছড়ি জেলার ৭টিরও বেশি ফিডার লাইনের অধীনে ২৪ সহস্রাধিক বিদ্যুত্ গ্রাহকের জন্য প্রায় ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে প্রতিদিন বিদ্যুত্ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬ থেকে ৭ মেগাওয়াট। ফলে পিক আওয়ারে জেলা ও উপজেলা শহরের পাশাপাশি পাড়া-গ্রামেও প্রতিদিন গড়ে ৭/৯ ঘন্টা পর্যন্ত দফায় দফায় লোডশেডিং করাতে হচ্ছে। কোন কোন সময় স্থানীয় বিদ্যুত্ বিতরণ কর্তৃপক্ষের এক ঘন্টার লোড শেডিংয়ের পাশাপাশি জাতীয় গ্রীড লাইনের লোডশেডিং দেয়া হলে সেক্ষেত্রে টানা দুই ঘন্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছে গ্রাহক। সামপ্রতিক সময়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী চারিয়া সাবস্টেশনে পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির একটি সার্কিট ব্রেকার বিনষ্ট হয়ে পড়ার পর লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজের মাত্রা আরো বেড়ে গেছে। জানা গেছে, পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের তুলনায় খাগড়াছড়ি অঞ্চলেই বিদ্যুত্ নিয়ে ভোগান্তি তুলনামূলক বেশি বর্ণনাহীন। জেলার বিদ্যুত্ বিতরণ ব্যবস্থায় সংকট চরম আকার ধারণ করায় গত ৫/৭ বছর ধরে এ জেলার মানুষের কাছে সবচেয়ে বড় দুঃখের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে।