নতুন বিজ্ঞাপনে
ছোটপর্দার এই সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী নাগকে খণ্ড নাটক কিংবা ধারাবাহিক নাটকে নিয়মিত দেখা গেলেও বিজ্ঞাপনে তাকে খুব কমই দেখা গেছে। মৌসুমীকে বিজ্ঞাপনের একজন মডেল হিসেবে প্রথম দেখা গেছে অমিতাভ রেজার পরিচালনায় ২০০৭ সালে গ্রামীণ ফোনের একটি বিজ্ঞাপনে। এরপর আরও দু’একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করার পর সর্বশেষ ২০০৯ সালে তিনি রবির একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেন। মাঝে অনেক বিজ্ঞাপনে কাজ করার অফার পেলেও ব্যাটে-বলে মিলেনি বিধায় নতুন কোনো বিজ্ঞাপনে তাকে কাজ করতে দেখা যায়নি। বদরুদ্দোজা সাগর ও মাহফুজুল হক তন্ময়ের নির্দেশনায় ‘জাদুর হোম এপ্লিয়েন্স’-এর কয়েকটি পণ্যের নতুন একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন মৌসুমী। গত সপ্তাহে ঢাকার উত্তরায় একটি শুটিং হাউজে বিজ্ঞাপনটির শুটিং সম্পন্ন হয়। এতে ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি হিসেবে কাজ করেছেন মাসুম আজিজ। বিজ্ঞাপনটিতে মৌসুমী নাগের কো-আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন আফরান নিশো। তিন বছর পর নতুন বিজ্ঞাপনে কাজ করা প্রসঙ্গে মৌসুমী নাগ বলেন, ‘বিজ্ঞাপনটির থিম আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। তাই কাজটি বেশ আগ্রহ নিয়েই আমি করেছি। আশা করি প্রচারে এলে কাজটি সবার ভালোলাগবে।’
দশ বছর পর
দুই বাংলার দুই জনপ্রিয় নায়ক প্রসেনজিত্ ও ফেরদৌস প্রথম একসাথে পরপর দুটি ছবিতে কাজ করেন ২০০২ সালে। একটি মহানজি প্রাসাদের ‘প্রতিহিংসা’ ও অন্যটি দুলাল ভৌমিকের ‘ফুল আর পাথর’। এরপর এই দুই তারকাকে আর কোনো ছবিতেই গত দশ বছর একসাথে কাজ করতে দেখা যায়নি। দশবছর পর আবারও একসাথে একই ছবিতে কাজ করছেন প্রসেনেজিত্ ও ফেরদৌস। ছবির নাম ‘পরিচয়’। ছবিটি পরিচালনা করছেন বাসু চ্যাটার্জির ছোট মেয়ে রূপালী গুহ। রূপালী গুহর এটি প্রথম ছবি। দশ বছর পর আবারো প্রসেনজিত্-এর সাথে একই ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে ফেরদৌস বলেন, ‘বুম্বা দার (প্রসেনজিত্) সাথে আমার সম্পর্কটা সত্যিই অন্যরকম। ব্যক্তিগতভাবে আমি তাকে খুবই পছন্দ করি। খুব ভালো মনের একজন মানুষ তিনি। সেইসাথে অত্যন্ত মেধাবী একজন অভিনেতা তিনি। তার সাথে আবারও কাজ করছি, ভীষণ ভালোলাগছে।’
আত্মজীবনী লিখবেন
সত্যজিত্ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ ছবিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে ‘অনঙ্গ’ বউ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা ববিতা। এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ববিতার এক বিশাল পরিচিত এবং গ্রহণযোগ্যতা গড়ে উঠে। ববিতা অভিনীত এই ছবিটি ১৯৭৩ সালে বার্লিন ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এবং ১৯৭৪ সালে শিকাগো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘বেস্ট ফিল্ম’ হিসেবে পুরস্কৃত হয়। ১৯৭৪ সালে কলকাতায় ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডে তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ করে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ববিতার ব্যাপক পরিচিতির কথা বিবেচনা করেই ভারত থেকেও তার আত্মজীবনীমূলক বই প্রকাশের অফার পেয়েছেন বেশ কয়েকবার। কিন্তু ববিতা তা প্রত্যাখান করে দিয়ে নিজ দেশেরই কোনো প্রকাশনা থেকে আত্মজীবনীমূলক বই প্রকাশের কথা ভাবছেন। ববিতা জানান খুব শিগগিরই তিনি এই বই লেখার কাজ শুরু করবেন।’
বালামের ‘ভুবন’
তিন বছর পর চতুর্থ একক অ্যালবাম ‘ভুবন’ নিয়ে হাজির হচ্ছেন শ্রোতানন্দিত গায়ক বালাম। সম্প্রতি তিনি অ্যালবামটির কাজ সম্পন্ন করেছেন। এর আগে বালাম তার অ্যালবামগুলো নিজ নামেই প্রকাশ করেছিলেন। তবে তিনি এবারই প্রথম স্বনামের বাইরে অ্যালবামের নাম রাখলেন ‘ভুবন’। এতে দশটি গান থাকবে। গানগুলোর কথা লিখেছেন জাহিদ পিন্টু। বালাম নিজেই অ্যালবামটির সুর ও সংগীত করেছেন। অ্যালবামের থাকা গানগুলোর শিরোনাম হলো—‘ও আকাশ’, ‘অচিন’, ‘জানলে না’, ‘একটু শোনো না’, ‘অনুতাপ’, ‘লুকোচুরি-২’, ‘স্বপ্ন’, ‘দিও না ফিরিয়ে’, ‘ডানা মেলে’ ও ‘দিন চলে যায়’। আসছে পহেলা বৈশাখে নতুন একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে অ্যালবামটি প্রকাশ করতে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বালাম বলেন, ‘শ্রোতাদের মানসম্মত একটি অ্যালবাম উপহার দিতেই এটি নির্মাণে দীর্ঘদিন সময় নিয়েছি।’ সর্বশেষ ২০১০ সালে বালামের তৃতীয় একক অ্যালবাম ‘বালাম-থ্রি’ প্রকাশিত হয়।
অনুদানের ছবিতে বাপ্পারাজ
২০০৫ সালে গাজী জাহাঙ্গীর পরিচালিত ‘জীবন সীমান্তে’ ছবিতে একজন নিপীড়িত যুবকের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এটি ছিল চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ অভিনীত প্রথম অনুদানের ছবি। এরপর গত বছর দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর অনুদানের ছবি ‘হেডমাস্টার’-এ অভিনয় করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এই ছবিতে তারই চরিত্রে কায়েস আরজু অভিনয় করেন। তবে এবার দীর্ঘ সাত বছর পর আবারো অনুদানের ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন বাপ্পারাজ। ছবির নাম ‘কাকতাড়ুয়া’। সেলিনা হোসেনের গল্প অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করছেন ফারুক হোসেন। ফারুক হোসেন এর আগে ‘সবার উপরে প্রেম’ ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন। ‘কাকতাড়ুয়া’ তার দ্বিতীয় ছবি। এই ছবিতে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ একজন মুক্তিযোদ্ধার চরিত্রে অভিনয় করছেন। এর আগে জাহিদ হোসেনের ‘জীবন যন্ত্রণা’ ছবিতে বাপ্পারাজ একই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেন। আবারও অনুদানের ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে বাপ্পারাজ বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে শিল্পী হিসেবে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই অনুদানের ছবিতে কাজ করি। ছবিটির গল্প ভালো, আমার চরিত্রটিও চমত্কার। তাই কাজটি করছি।’
