গ্রামাঞ্চলে বন্য প্রাণী আইন সম্পর্কে মানুষের সচেতনার অভাব বিদ্যমান। আইনের প্রয়োগও নেই। পাখিসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণী নিধন চলছেই। আদিবাসি সমপ্রদায়সহ অনেকের পাখি শিকার পেশা। তারা ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করে থাকে। ভদ্রবেশি শিকারিরা এয়ারগান দিয়ে পাখি শিকার করে। যেসব পাখির মাংস মানুষ খেয়ে থাকে সেসব পাখির প্রজাতি এভাবে দিনে দিনে বিলুপ্ত হতে চলেছে। নিকট অতীতেও ঘুঘুর ডাকে গ্রামের মানুষের ঘুম ভাঙ্গত। কিন্তু এখন ঘুঘুর দেখা মেলা ভার। হরিয়াল ঘুঘু উঁচু গাছ বিশেষ করে বট গাছে বাসা বাধত। বটের ফল এ প্রজাতির ঘুঘুর প্রধান খাদ্য ছিল। তাছাড়াও অন্য প্রজাতির ঘুঘুও প্রচুর সংখ্যায় দেখা যেত। অতিমাত্রায় শিকারের ফলে ঘুঘুর বিভিন্ন প্রজাতি বিলুপ্তির পথে। এদের রক্ষার কোন উদ্যোগ বন বিভাগের নেই। আদিবাসি মানুষ খরগোশ, লাফারু, নেউল, সজারু, খাটাশ প্রভৃতি বন্য প্রাণী বহু বছর আগ থেকে শিকার করে আসছে। বন-জঙ্গল হ্রাসের কারণে এসব প্রাণীর আবাসস্থল সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এর সাথে আছে খাবারের অভাব। এসব মিলিয়ে বন্য প্রাণী বিলুপ্তির পথে।
